Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬

সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি তৃণমূল ও কংগ্রেসের

পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিন্দুর ইস্যুতে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি জোরদার করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি তৃণমূল ও কংগ্রেসের
  • ২৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলা এবং অপারেশন সিন্দুর ইস্যুতে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি জোরদার করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। মোদি বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে এক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মকেও চিঠি দিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার আবেদন করা হতে পারে। কারণ, সরকার সংসদের অধিবেশন ডাকার সিদ্ধান্ত নিলেও আদতে সংবিধানের ৮৫ অনুচ্ছেদ মোতাবেক সংসদের অধিবেশন ডাকা এবং তার সমাপ্তি ঘোষণার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিরই। 

Advertisement

দল হিসেবে কংগ্রেস সবার আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় বৈঠকের পাশাপাশি সংসদের বিশেষ অধিবেশনের দাবি করেছে। আর সাংসদ হিসেবে সর্বাগ্রে এ ব্যাপারে সরব হয়েছিলেন কপিল সিবাল। কংগ্রেস ছেড়ে যিনি বর্তমানে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে রাজ্যসভার সদস্য। যদিও এখনও সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ অধিবেশন ডাকার কোনও উদ্যোগ দেখানো হয়নি। আগামী জুলাই মাসেই বসবে সংসদের বাদল অধিবেশন। তখনই কয়েকটা দিন আলাদা করে অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য নিয়ে আলোচনা হবে, নাকি জুন মাসে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে, তা নিয়ে সরকারের অন্দরে চলছে আলোচনা। তবে জুনেই বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবিতে সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে তৃণমূল। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীকে যেমন দলের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে। কংগ্রেসও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছে। বুধবার দলের মুখপাত্র তথা লোকসভায় কংগ্রেসের উপ দলনেতা গৌরব গগৈ বলেছেন, অবশ্যই সরকারের উচিত সাম্প্রতিক পহেলগাঁও, পাকিস্তান ইস্যুতে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা। সরকার যদি বিদেশে সর্বদলীয় প্রতিনিধি পাঠিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে, তাহলে তা সংসদে নয় কেন? তাই এ ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দাবি করেছেন, তা সঠিক। গগৈ বলেন, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী তো বটেই, আরজেডির তেজস্বী যাদবও বিশেষ অধিবেশনের দাবি করেছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ