সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পুরসভার কঠোর পদক্ষেপের পরও শহরের বহু মানুষের মধ্যে এখনও বেআইনি নির্মাণের প্রবণতা রয়েছে। তাই বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালেন মেয়র গৌতম দেব। সেইসঙ্গে দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীদের তিনি সতর্ক করেন।
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: পুরসভার কঠোর পদক্ষেপের পরও শহরের বহু মানুষের মধ্যে এখনও বেআইনি নির্মাণের প্রবণতা রয়েছে। তাই বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালেন মেয়র গৌতম দেব। সেইসঙ্গে দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীদের তিনি সতর্ক করেন।
অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুরসভা মামলায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে। তাই বিল্ডিং ট্রাইবুনাল থাকা দরকার বলে মনে করেন মেয়র। তিনি বলেন, অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক ক্ষেত্রে মামলায় জড়িয়ে পড়ে পুরসভার খরচ বাড়ছে। বিল্ডিং ট্রাইবুনাল থাকলে সেখানেই সরাসরি অভিযোগের নিষ্পত্তি হতো। মামলার দিকটি এড়ান যেত। এত টাকা খরচ হতো না। ইতিমধ্যে ২৪৭টি অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। তাতেও অবৈধ নির্মাণের প্রবণতা কমছে না।
শনিবার শিলিগুড়ি শহরের সেভক মোড়ে একটি পুরনো বহুতলে অবৈধভাবে নির্মাণের বিরুদ্ধে সরব হন মেয়র। তিনি বলেন, ওই অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ পেতেই পুরসভা ব্যবস্থা নেয়। তা নিয়ে মামলা হয়। আলোচনায়ও হয়েছে। তারপরও সেখানে অবৈধ নির্মাণ চলছে। কোনওমতেই একাজ বরদাস্ত করা হবে না।
তারপর তিনি দপ্তরে ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীদের ওই অবৈধ নির্মাণ সহ শহরের অন্যান্য অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া জারি রাখার নির্দেশ দেন। মেয়র বলেন, শহরের এক প্রথিতযশা প্রয়াত চিকিৎসকের বাণিজ্যিক ভবনটি বহু পুরনো। অবৈধভাবে সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পুরসভার থেকে এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গিয়েছে কাজের গতি মন্থর করে পুরসভাকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে। এখন ভিতরে ভিতরে অবৈধ নির্মাণ চলছে। আমরা একাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করব না। আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।
এদিকে এদিন টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানেও মেয়রের কাছে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নাগরিকরা অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ জানান। চম্পাসারি থেকে এক ছাত্রী জানান তার বাবা ক্যান্সার আক্রান্ত। তারা অসহায়। সেই সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী অবৈধ নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছে। এক বছর আগে তিনি পুরসভায় অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। কোনও কাজ হয়নি। এলাকার কাউন্সিলারকে জানালে তিনি তাঁকে কার্যত হুমকি দেন। এদিন এই অভিযোগ পেয়ে মেয়র দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার ও অন্যান্য কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেন।