Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খাগড়ায় পিতলের লক্ষ্মী ও গণেশ বিগ্রহ কেনায় ঝোঁক

খাগড়ায় পিতলের লক্ষ্মী ও গণেশ বিগ্রহ কেনায় ঝোঁক
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: খাগড়ার বড়কুঠী রোডের পাশে মৃৎশিল্পীরা জোরকদমে লক্ষ্মীপ্রতিমায় বার্ণিশ শুরু করেছেন। একদিন পর থেকেই অক্ষয় তৃতীয়ার পুজোর জন্য লক্ষ্মী-গণেশের প্রতিমা বিক্রি শুরু হবে। তার আগে এখন পটুয়াপাড়ায় চরম ব্যস্ততা। কিন্তু খাগড়ার পিতলের তৈরি লক্ষ্মী-গণেশের চাহিদায় মৃৎশিল্পীদের ব্যবসায় প্রভাব পড়েছে। পিতলের বিগ্রহ একবার কিনলে আর প্রতিবছর মাটির প্রতিমা কিনতে হচ্ছে না। ফলে দিন দিন মাটির প্রতিমার বিক্রি কমছে।

Advertisement

অনেক শিল্পী মাসখানেক আগে থেকেই লক্ষ্মীগণেশের ছোট প্রতিমা তৈরি শুরু করেছিলেন। নববর্ষে প্রতিমা বিক্রি করেছেন। তবে বনেদি খাগড়া বাজারে বেশিরভাগ দোকানে অক্ষয় তৃতীয়ায় পুজো হয়। সেদিনই হালখাতা করেন ব্যবসায়ীরা। সেজন্য এই দিনের দিকেই স্থানীয় মৃৎশিল্পীরা তাকিয়ে থাকেন।
মৃৎশিল্পীরা অনেকেই জানান, দিন দিন পিতলের বিগ্রহ কেনার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় মাটির প্রতিমার বিক্রি কমছে। ব্যবসায়ীদের অনেকেই একবারে পিতলের প্রতিমা কিনে নিয়েছেন। সেকারণে প্রতিবছর মাটির প্রতিমা কেনার দরকার পড়ছে না। প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম বাড়ছে। কিন্তু মৃৎশিল্পীরা প্রতিমার দাম বাড়াতে পারছেন না। 
বড়কুঠীর প্রতিমাশিল্পী নিতাই পাল বলেন, নববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রতিবারই অনেক লক্ষ্মীগণেশের প্রতিমা বানাই। এবারও শতাধিক প্রতিমা তৈরি করেছিলাম। কিছু বিক্রি হয়েছে। বাকি অক্ষয় তৃতীয়ার বাজার ধরতে গুছিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু বিক্রি কমই হয়েছে। একজোড়া লক্ষ্মীগণেশের মূর্তির দাম ২০০-৪০০টাকার মধ্যে থাকছে। সর্বোচ্চ ৩০০০টাকা দামের মাটির প্রতিমাও বিক্রি হচ্ছে।
মৃৎশিল্পী গোরাচাঁদ পাল বলেন, কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় গতবারের তুলনায় এবার দাম একটু বাড়ানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী সারাবছর এই প্রতিমা দোকানে রেখে পুজো করেন। তাই ভালো কাঁচামাল দিয়ে প্রতিমা গড়তে হয়। রঙের সঙ্গে আঠা মিশিয়ে প্রতিমা রং করি। তারপর বার্ণিশ দিয়ে চকচকে করা হয়। খাগড়ার এক পিতলের মূর্তি ব্যবসায়ী বলেন, নববর্ষ থেকেই টুকটাক বিক্রি বেড়েছে। অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে প্রচুর লক্ষ্মী ও গণেশ বিগ্রহ বিক্রি শুরু হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ