সংবাদদাতা, পতিরাম: দু’জনের খোয়া গিয়েছে প্রায় সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা। ট্রেডিং অ্যাপে টাকা লাগিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে সাইবার থানার দ্বারস্থ হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার দুই বাসিন্দা।
Advertisement
মুলত সোশ্যাল মিডিয়ায় লিঙ্কের মাধ্যমে লগ্নি করে মোটা মুনাফা কামানোর সুযোগ করে দেওয়ার নাম করেই প্রতারকরা ওই ফাঁদ পাতছে। অ্যাপ ইনস্টল করার পর টাকা লাগিয়ে জেলায় প্রতারিত হচ্ছেন অনেকে।
দক্ষিণ দিনাজপুর সাইবার ক্রাইম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএসপি (ডিইবি) রাহুল বর্মন বলেন, জোড়া অভিযোগ হওয়ার পরই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ধরনের ট্রেডিং অ্যাপগুলি থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
সাইবার ক্রাইম থানা সূত্রে খবর, গত ৩১ অক্টোবর হরিরামপুরের এক যুবক প্রতারিত হওয়ার পর থানার দ্বারস্থ হন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লিঙ্কের মাধ্যমে ট্রেডিং অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবসা শুরু করেন। ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে তিনি মোট ৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জমা করেছিলেন। মোটা টাকা বিনিয়োগ হতেই অন্য প্রান্ত থেকে হরিরামপুরের যুবকের নম্বর ব্লক করে দেয়। কোনওভাবেই তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে টাকা হারিয়েছেন বুঝতে পেরে সাইবার থানার দ্বারস্থ হন ওই যুবক।
অন্যদিকে, গত শনিবার তপন ব্লকের এক মহিলা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন একই অভিযোগ নিয়ে। তিনিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিঙ্কের মাধ্যমে ট্রেডিং অ্যাপ খোলেন। সেখানে তিনি মোট ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা লাগিয়েছিলেন। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনিও থানায় অভিযোগ করেছেন। যদিও প্রতারিতরা এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সাইবার থানা সূত্রে খবর, মুলত অনলাইন ট্রেডিংকে হাতিয়ার করে প্রতারণার ফাঁদ পাতছে এই ধরনের প্রতারকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্মকে কাজে লাগাচ্ছে তারা। প্রথমে দ্রুত বেশি মুনাফা কামানোর লোভ দেখিয়ে লিঙ্ক দেওয়া হচ্ছে। ওই লিঙ্কের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপে চলে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। এরপরেই ইনস্টল করতে বলা হচ্ছে অ্যাপ। ফোনেও পরামর্শ দিচ্ছে প্রতারকরা। গ্রাহক প্রথম দিকে অল্প টাকা লাগানোর পর অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণ দেখতে পাচ্ছেন। প্রথম প্রথম লগ্নির পরিমাণ কম থাকলেও দ্রুত বেশি লভ্যাংশ দেখানো হচ্ছে। যখনই গ্রাহক বেশি টাকা লাগাচ্ছেন, তাঁকে অ্যাপে ব্লক করে দেওয়া হচ্ছে। এমন ঘটনা থেকে বাঁচতে পুলিস সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর সাইবার ক্রাইম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিএসপি (ডিইবি) রাহুল বর্মন বলেন, জোড়া অভিযোগ হওয়ার পরই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ধরনের ট্রেডিং অ্যাপগুলি থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
সাইবার ক্রাইম থানা সূত্রে খবর, গত ৩১ অক্টোবর হরিরামপুরের এক যুবক প্রতারিত হওয়ার পর থানার দ্বারস্থ হন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লিঙ্কের মাধ্যমে ট্রেডিং অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবসা শুরু করেন। ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে তিনি মোট ৯ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা জমা করেছিলেন। মোটা টাকা বিনিয়োগ হতেই অন্য প্রান্ত থেকে হরিরামপুরের যুবকের নম্বর ব্লক করে দেয়। কোনওভাবেই তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে টাকা হারিয়েছেন বুঝতে পেরে সাইবার থানার দ্বারস্থ হন ওই যুবক।
অন্যদিকে, গত শনিবার তপন ব্লকের এক মহিলা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন একই অভিযোগ নিয়ে। তিনিও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিঙ্কের মাধ্যমে ট্রেডিং অ্যাপ খোলেন। সেখানে তিনি মোট ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা লাগিয়েছিলেন। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনিও থানায় অভিযোগ করেছেন। যদিও প্রতারিতরা এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সাইবার থানা সূত্রে খবর, মুলত অনলাইন ট্রেডিংকে হাতিয়ার করে প্রতারণার ফাঁদ পাতছে এই ধরনের প্রতারকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্মকে কাজে লাগাচ্ছে তারা। প্রথমে দ্রুত বেশি মুনাফা কামানোর লোভ দেখিয়ে লিঙ্ক দেওয়া হচ্ছে। ওই লিঙ্কের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার গ্রুপে চলে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। এরপরেই ইনস্টল করতে বলা হচ্ছে অ্যাপ। ফোনেও পরামর্শ দিচ্ছে প্রতারকরা। গ্রাহক প্রথম দিকে অল্প টাকা লাগানোর পর অ্যাকাউন্টে জমা টাকার পরিমাণ দেখতে পাচ্ছেন। প্রথম প্রথম লগ্নির পরিমাণ কম থাকলেও দ্রুত বেশি লভ্যাংশ দেখানো হচ্ছে। যখনই গ্রাহক বেশি টাকা লাগাচ্ছেন, তাঁকে অ্যাপে ব্লক করে দেওয়া হচ্ছে। এমন ঘটনা থেকে বাঁচতে পুলিস সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে।



