নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: চুরুলিয়া, বীরকুল্টি, জামবাদ সহ জামুড়িয়া ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় ক্র্যাশার নিয়ে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। লোকালয়ের অদূরে গড়ে ওঠা ক্র্যাশারের দূষণে নাজেহাল দশা তাঁদের। ক্র্যাশারগুলি থেকে ভারি গাড়ি যাতায়াতের জেরে ভাঙছে রাস্তা। এমনকী অভিযোগ ওঠে, বহু ক্ষেত্রেই এই ক্র্যাশারগুলি কয়লা পাচারের মাধ্যম হচ্ছে। কালো ব্র্যান্ড পাথরের নামে পাচার হয়ে যায় কয়লা। ওঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ না করেই চলছে এই কারবার। পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে একাধিকবার পরিদর্শন করা হয়েছে এলাকায়। ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য পঞ্চায়েত সমিতির এক্সিকিউটিভ অফিসার তথা বিডিও চিঠি পাঠালেও ভ্রুক্ষেপ করেনি মালিকপক্ষ। বেপরোয়া কারবার নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ জামুড়িয়াবাসী।
Advertisement
জামুড়িয়া পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অনিমেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অধিকাংশ ব্ল্যাকস্টোন ক্র্যাশারগুলি অবৈধ ভাবে চলছে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ আমরা একাধিক ক্র্যাশার পরিদর্শন করেছি। ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ না করার জন্য তিনবার নোটিস করা হয়েছে। তাতেও তারা কর্ণপাত করেনি।
কবি নজরুল ইসলামের জন্মভিটে চুরুলিয়া এলাকায় হয়ে ওঠেছে অবৈধ কারবারের স্বর্গরাজ্য। চুরুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছে বারবার। বীরভূমের চালানে এই এলাকা দিয়ে দৈত্যকার বালির গাড়ি চলাচলের জেরে রাস্তার কঙ্কালসার দশা। এছাড়াও এলাকার একাধিক কয়লা খাদান থাকায় কয়লা পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো গজিয়ে উঠেছে বহু ব্ল্যাক স্টোন ক্র্যাশার। মূলত, কয়লার উপরে থাকা কালো পাথর ভেঙে বিভিন্ন সাইজের করে বিক্রি করার জন্য এগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। অনেকের অভিযোগ, ক্র্যাশারের পাথর আনার নামে বহু ক্ষেত্রেই ঢুকে যায় চোরাই কয়লা। সেগুলি আবার পাচার হয়ে যায়। সেই ক্র্যাশারগুলি থেকে দিনরাত লরি ছুটছে। বিপন্ন হয়ে উঠেছে মানুষের জনজীবন। প্রতিবাদ-আন্দোলন করেও লাভ হচ্ছে না। খোদ বিডিওর নোটিসকেই অবজ্ঞা করে চলেছে। জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়াল বাবদ পঞ্চায়েত সমিতিকে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য নোটিস করা হয়। কিন্তু, বেশিরভাগ ক্র্যাশারই তাকে কোনও গুরুত্বই দেয়নি।
জামুড়িয়ায় যখন কালো পাথরের আড়ালে কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে তখন আবার পাণ্ডবেশ্বরে উঠেছে কয়লার সঙ্গে ছাই মেশানোর অভিযোগ। শাসক দলের শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ঝাঁজরা প্রজেক্ট ইসিএলের অন্যতম বড় প্রজেক্ট। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের অপদার্থতায় ও কয়লা চুরির জন্য বিপুল পরিমাণ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সেই ব্যার্থতা ঢাকতে কয়লার সঙ্গে ছাই মিশিয়ে ওজন বাড়ানো হচ্ছে। আইএনটিটিইউসি নেতা পলাশ পাণ্ডে বলেন, এরজেরে ঝাঁজরা কয়লার গুণমানের বদনাম হয়ে যাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্ররিবাদ জানিয়েছি। এনিয়ে ঝাঁজরা প্রজেক্টের এজেন্ট তন্ময় কোলেকে ফোন করা হলে তিনি সাংবাদিক শুনে ফোন কেটে দেন। এরপর আর ফোন ধরেননি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর দেননি।
কবি নজরুল ইসলামের জন্মভিটে চুরুলিয়া এলাকায় হয়ে ওঠেছে অবৈধ কারবারের স্বর্গরাজ্য। চুরুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিপুল পরিমাণ বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছে বারবার। বীরভূমের চালানে এই এলাকা দিয়ে দৈত্যকার বালির গাড়ি চলাচলের জেরে রাস্তার কঙ্কালসার দশা। এছাড়াও এলাকার একাধিক কয়লা খাদান থাকায় কয়লা পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো গজিয়ে উঠেছে বহু ব্ল্যাক স্টোন ক্র্যাশার। মূলত, কয়লার উপরে থাকা কালো পাথর ভেঙে বিভিন্ন সাইজের করে বিক্রি করার জন্য এগুলি গড়ে তোলা হয়েছে। অনেকের অভিযোগ, ক্র্যাশারের পাথর আনার নামে বহু ক্ষেত্রেই ঢুকে যায় চোরাই কয়লা। সেগুলি আবার পাচার হয়ে যায়। সেই ক্র্যাশারগুলি থেকে দিনরাত লরি ছুটছে। বিপন্ন হয়ে উঠেছে মানুষের জনজীবন। প্রতিবাদ-আন্দোলন করেও লাভ হচ্ছে না। খোদ বিডিওর নোটিসকেই অবজ্ঞা করে চলেছে। জানা গিয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়াল বাবদ পঞ্চায়েত সমিতিকে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য নোটিস করা হয়। কিন্তু, বেশিরভাগ ক্র্যাশারই তাকে কোনও গুরুত্বই দেয়নি।
জামুড়িয়ায় যখন কালো পাথরের আড়ালে কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে তখন আবার পাণ্ডবেশ্বরে উঠেছে কয়লার সঙ্গে ছাই মেশানোর অভিযোগ। শাসক দলের শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ঝাঁজরা প্রজেক্ট ইসিএলের অন্যতম বড় প্রজেক্ট। কিন্তু ম্যানেজমেন্টের অপদার্থতায় ও কয়লা চুরির জন্য বিপুল পরিমাণ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সেই ব্যার্থতা ঢাকতে কয়লার সঙ্গে ছাই মিশিয়ে ওজন বাড়ানো হচ্ছে। আইএনটিটিইউসি নেতা পলাশ পাণ্ডে বলেন, এরজেরে ঝাঁজরা কয়লার গুণমানের বদনাম হয়ে যাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্ররিবাদ জানিয়েছি। এনিয়ে ঝাঁজরা প্রজেক্টের এজেন্ট তন্ময় কোলেকে ফোন করা হলে তিনি সাংবাদিক শুনে ফোন কেটে দেন। এরপর আর ফোন ধরেননি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর দেননি।



