পারথ: দু’দিনও লাগল না! অ্যাসেজের প্রথম টেস্টের ফয়সালা হয়ে গেল ছয় সেশনেই। ১৯২১ সালের পর এই প্রথম তিনদিন বাকি থাকতে অ্যাসেজের কোনও টেস্টের নিষ্পত্তি হল। অথচ ইডেনে তিন দিনে টেস্ট শেষ হতেই সমালোচনায় মুখর হন পণ্ডিতরা। তবে এখন তাঁরা সকলেই চুপ!
পারথ: দু’দিনও লাগল না! অ্যাসেজের প্রথম টেস্টের ফয়সালা হয়ে গেল ছয় সেশনেই। ১৯২১ সালের পর এই প্রথম তিনদিন বাকি থাকতে অ্যাসেজের কোনও টেস্টের নিষ্পত্তি হল। অথচ ইডেনে তিন দিনে টেস্ট শেষ হতেই সমালোচনায় মুখর হন পণ্ডিতরা। তবে এখন তাঁরা সকলেই চুপ!
চতুর্থ ইনিংসে ২০৫ রানের টার্গেট তাড়া করে অস্ট্রেলিয়া জয়ী ৮ উইকেটে (২০৫-২)। ট্রাভিস হেডের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিই ফারাক গড়ল। বেন স্টোকসদের যেন ‘বাজবল’ই ফিরিয়ে দিলেন তিনি। ৮৩ বলে হেডের সংগ্রহ ১২৩। তাতে রয়েছে ১৬টি চার ও ৪টি ছক্কা। অজি ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথের মতে, ‘অবিশ্বাস্য ইনিংস। কল্পনারও বাইরে। যেন অন্যগ্রহের ব্যাটিং।’ বেন স্টোকসের গলাতেও অবিশ্বাস, ‘স্তম্ভিত। ট্রাভিসের ইনিংসের ঘোরের মধ্যে রয়েছি।’
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড তুলেছিল ১৭২। জবাবে শনিবার অস্ট্রেলিয়া শুরু করে ১২৩-৯ অবস্থায়। তাদের ইনিংসে দাঁড়ি পড়ে ১৩২ রানে। অজিদের শেষ উইকেটটি নেন ব্রাইডন কার্স (৩-৪৫)। অর্থাৎ, ৪০ রানের লিড নেয় ইংল্যান্ড। সফরকারী দলের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১৬৪ রানে। সেরা বোলার স্কট বোল্যান্ড (৪-৩৩)। সঙ্গতে ছিলেন মিচেল স্টার্ক (৩-৫৫) ও ব্রেন্ডন ডোগেট (৩-৫১)। উল্লেখ্য, প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন স্টার্ক। ম্যাচে তাঁর উইকেট সংখ্যা ১০। এই নিয়ে টেস্টে তিনবার দশ উইকটে নিলেন বাঁ-হাতি পেসার। তিনিই টেস্টের সেরা। চোটের জন্য উসমান খাওয়াজা ওপেন করতে পারেননি। সেটাই শাপে বর হয় হোমটিমের। শুরুতে এসে ট্রাভিস বেপরোয়া চালাতে থাকেন। জেক ওয়েদার্যাল্ডের সঙ্গে প্রথম উইকেটের জুটিতে ওঠে ৭৫। এরপর মার্নাস লাবুশানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ট্রাভিস যোগ করেন ১১৭। তাঁর সেঞ্চুরি আসে ৬৯ বলে। এটি টেস্টে ট্রাভিসের দশম শতরান। দ্রুত ম্যাচ শেষ করতে গিয়ে ফেরেন তিনি। লাবুশানে (অপরাজিত ৫১) ক্যাপ্টেন স্টিভ স্মিথকে (অপরাজিত ২) সঙ্গে নিয়ে ১-০ এগিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়াকে। অ্যাসেজের দ্বিতীয় টেস্ট ব্রিসবেনের গাব্বায় শুরু ৪ ডিসেম্বর।