Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তোলাবাজির অভিযোগে চাকরি গেল ট্রাফিক হোমগার্ডের, চাঞ্চল্য

তোলাবাজি ও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাঁকরাইল থানার এক ট্রাফিক হোমগার্ডকে কাজ থেকে বসিয়ে দিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। অভিযুক্ত ট্রাফিক হোমগার্ডের নাম বরুণ দাস।

তোলাবাজির অভিযোগে চাকরি গেল ট্রাফিক হোমগার্ডের, চাঞ্চল্য
  • ১০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: তোলাবাজি ও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাঁকরাইল থানার এক ট্রাফিক হোমগার্ডকে কাজ থেকে বসিয়ে দিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। অভিযুক্ত ট্রাফিক হোমগার্ডের নাম বরুণ দাস। তিনি সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেত্রী সোনালি দাসের স্বামী। সোনালিদেবীর অভিযোগ, দলেরই একাংশ চক্রান্ত করে তাঁর স্বামীকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়েছে। এ নিয়ে তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন। 

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাঁকরাইলের বাসিন্দা বরুণ দাস ২০১৮ সাল থেকে সাঁকরাইল থানায় ট্রাফিক হোমগার্ডের কাজ করছিলেন। অভিযোগ, যাঁরা নতুন ফ্ল্যাট বা বিল্ডিং কিংবা দোকান তৈরি করছেন, তাঁদের ফোন করে বরুণবাবু প্রায়ই টাকা দাবি করতেন। সাঁকরাইল থানা এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয়স্থানে নাইট ডিউটি থাকত তাঁর। সেই কাজেও নাকি তিনি চূড়ান্ত অবহেলা করতেন বলে অভিযোগ। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের হয় হাওড়া সিটি পুলিসের কাছে। এরপর মঙ্গলবার তাঁকে হোমগার্ডের চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত হোমগার্ডের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
যদিও স্বামীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে নারাজ সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, এক আত্মীয়ের জমি দেখভালের দায়িত্ব ছিল তাঁদের উপর। সম্প্রতি বরুণবাবু সেই জমি পরিষ্কার করতে গেলে স্থানীয় এক বাসিন্দার সঙ্গে তাঁর জমির সীমানা নিয়ে খানিক বচসা হয়। সোনালিদেবী বলেন, ‘সেই সময় কেউ তাঁদের কথাবার্তার ভিডিও রেকর্ড করে। এরপর আমার স্বামীর নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক প্রোফাইল খুলে সেই ভিডিও পোস্ট করে দেয়। আমার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। এতে দলের একাংশের চক্রান্ত থাকতে পারে’। 
অভিযুক্ত হোমগার্ডের দাবি, ‘তাঁকে চাকরি থেকে সরানোর আগে থানায় ডেকে একবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। সম্পূর্ণ ধোঁয়াশায় রয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন’। সাঁকরাইল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি অমৃত বসু বলেন, ‘দলের কেউ এই সংক্রান্ত অভিযোগ করেনি। তবে পুলিসের কাছে যদি অভিযোগ জমা পড়ে থাকে, তাহলে তারা আইন অনুযায়ী তদন্ত করুক।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ