Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘সার বিক্রি কবর না’, এবার ঘোষণা জলপাইগুড়ি ও ধূপগুড়ির ব্যবসায়ীদের

প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল ময়নাগুড়ি থেকে। এবার তা ছড়িয়ে পড়ল জলপাইগুড়ি ও ধূপগুড়িতে। কোম্পানিগুলির অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সার বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা।

‘সার বিক্রি কবর না’, এবার ঘোষণা জলপাইগুড়ি ও ধূপগুড়ির ব্যবসায়ীদের
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৯
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল ময়নাগুড়ি থেকে। এবার তা ছড়িয়ে পড়ল জলপাইগুড়ি ও ধূপগুড়িতে। কোম্পানিগুলির অনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সার বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। তাঁরা জানিয়েছেন, কৃষকদের কাছে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা যাবে না, এমন সার দোকানে তুলবেন না। শুধু তাই নয়, সারের সঙ্গে আনুষঙ্গিক নানা জিনিস কেনার জন্য কোম্পানিগুলি ব্যবসায়ীদের চাপ দিচ্ছে। এই প্রবণতা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে সাফ কথা ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীদের।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ডিস্ট্রিবিউটরদের গোলা পর্যন্ত সার পৌঁছে দেওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির। কিন্তু সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে রেক পয়েন্টে মাল পৌঁছে দিয়েই দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলছে তারা। আর তাতেই মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। কারণ পরিবহণের অতিরিক্ত বোঝা তাঁদের কাঁধে চেপেছে। এই অবস্থায় কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার বিক্রি করতে হিমশিম অবস্থা তাঁদের।
জলপাইগুড়ি সদরের সার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুব্রত ঘোষ জানিয়েছেন, রাঙ্গাপানি ও ফালাকাটায় রেক পয়েন্টে রয়েছে। জলপাইগুড়ি থেকে রাঙ্গাপানির দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এবং ফালাকাটা ৬৫ কিলোমিটার দূরে।  সেখান থেকে ডিস্ট্রিবিউটরদের এখন সার আনতে হচ্ছে। এতে ৫০ কিলোর বস্তায় অতিরিক্ত খরচ পড়ছে গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। তিনি আরও জানিয়েছেন, ডিস্ট্রিবিউটরদের থেকে খুচরো ব্যবসায়ীরা যখন সার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, তখন তাঁদেরও বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই ন্যায্য মূল্যে তা বিক্রি করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এর রেশ ধরে সুব্রতবাবু বলেন, ‘আমরা কৃষকদের কাছে সঠিক মূল্যে সার বিক্রি করতে চাই। কিন্তু কোম্পানিগুলির বর্তমান নিয়মে তা সম্ভব নয়। যতদিন পর্যন্ত কোম্পানিগুলি ডিস্ট্রিবিউটরের গোলা পর্যন্ত নিজস্ব দায়িত্বে পণ্য পৌঁছে দেবে, ততদিন তাদের সার আমরা না তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ব্যবসায়ীদের দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) শরৎ কুমার সরকার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ