নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: হীরাপুরের ধরমপুরে ঘরজামাইকে খুনের কিনারা করল পুলিস। চুরির টাকার ভাগ নিয়ে ঝামেলার জেরে তাঁকে খুন করে দুই বন্ধু। এমনটাই জানতে পেরেছে পুলিস। গত ২৩ নভেম্বর সকালে আসানসোলের হীরাপুরে রেললাইনের ধারে মাথা থেঁতলানো অবস্থায় ধর্মদাস বাউরি ওরফে ধনুর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিস তদন্ত করে তাঁরই দুই সঙ্গী সুরজ ভুঁইয়া ও রাজকুমার চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানতে পেরেছে, ২২ তারিখ রাতে রেলের তার চুরি করে তিনজন এক হাজার টাকা পেয়েছিল। সেই টাকার ভাগ নিয়েই বিবাদের সূত্রপাত। তারপরই একজন পার্টনারকে সরাতে দু’জনে মিলে মাথায় আঘাত করে খুন করে। বিষয়টিকে দুর্ঘটনা বলে সাজাতে পরে তারাই দেহ রেললাইনের ধারে নিয়ে যায়। আসানসোল পুলিস কমিশনারেটের ডিসি সন্দীপ কাররা বলেন, হীরাপুরের খুনের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টাকা নিয়ে বিবাদের জেরেই পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করেছিল বলে অভিযুক্তরা স্বীকার করেছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, খুন করার পরই আবেগ তাড়িত হয়ে পড়ে সুরজ। ধর্মদাসের ফোন থেকে সে নিজের স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে। সেখানে নিজের অপরাধের কথা বলে মানসিক শান্তি পেতে চায়। সেই সূত্র ধরেই পুলিসের কাছে খুনিদের কীর্তি সামনে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিস অভিযুক্তর ফোনের কলহিস্ট্রি থেকে এই ফোনের সন্ধান পায়। তারপরই সুরজ ধরা পড়ে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনুর বাড়ি পুরুলিয়ায়। তবে ঘর জামাই হিসেবে হীরাপুরে থাকতেন। গত ২৩ নভেম্বর সকালে হীরাপুরে রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিস তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়িকে থানায় আনে। পুরুলিয়া থেকে থানায় এসে জমায়েত করেন ধনুর আত্মীয়রা। তাঁরা খুনের অভিযোগ করেন। ধনু ছিল তাঁর স্ত্রীর তৃতীয় স্বামী। পারিবারিক অশান্তি মাঝে মধ্যেই হতো। তাই এই ঘটনার সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে টানা জেরা পর্ব চলে। পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রেই ধনুর দুই সঙ্গী সুরজ ও রাজকুমারের সন্ধান পায় পুলিস। পাশাপাশি ধনুর নম্বরের কলহিস্ট্রি বের করা হয়। তখনই দেখা যায়, ঘটনার রাতে ধনুর ফোন থেকে গয়ার একটি জায়গায় ফোন করা হয়। সেই সূত্র ধরে পুলিস খোঁজ পায় সুরজ ভুইয়ার স্ত্রী সেই সময়ে গয়ায় ছিল। সুরজের স্ত্রী জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন ধনুর ফোন থেকে সেদিন রাতে সুরজ তাঁকে ফোন করেছিল। সুরজ ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপন করেছিল। তার স্ত্রীকে পুলিস টানা জিজ্ঞাসাবাদের খবর পেতেই পুলিসের নাগালে চলে আসে সুরজ। অবশেষে সে স্বীকার করে খুনের কথা। তার সঙ্গীর সন্ধানও সে দেয়। পুলিস এরপর রাজকুমারকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। শুক্রবার রাতে পুলিস মৃতের ফোন, অভিযুক্তদের রক্ত মাথা প্যান্টও উদ্ধার করেছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনুর বাড়ি পুরুলিয়ায়। তবে ঘর জামাই হিসেবে হীরাপুরে থাকতেন। গত ২৩ নভেম্বর সকালে হীরাপুরে রেললাইনের পাশ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিস তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়িকে থানায় আনে। পুরুলিয়া থেকে থানায় এসে জমায়েত করেন ধনুর আত্মীয়রা। তাঁরা খুনের অভিযোগ করেন। ধনু ছিল তাঁর স্ত্রীর তৃতীয় স্বামী। পারিবারিক অশান্তি মাঝে মধ্যেই হতো। তাই এই ঘটনার সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে টানা জেরা পর্ব চলে। পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রেই ধনুর দুই সঙ্গী সুরজ ও রাজকুমারের সন্ধান পায় পুলিস। পাশাপাশি ধনুর নম্বরের কলহিস্ট্রি বের করা হয়। তখনই দেখা যায়, ঘটনার রাতে ধনুর ফোন থেকে গয়ার একটি জায়গায় ফোন করা হয়। সেই সূত্র ধরে পুলিস খোঁজ পায় সুরজ ভুইয়ার স্ত্রী সেই সময়ে গয়ায় ছিল। সুরজের স্ত্রী জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন ধনুর ফোন থেকে সেদিন রাতে সুরজ তাঁকে ফোন করেছিল। সুরজ ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপন করেছিল। তার স্ত্রীকে পুলিস টানা জিজ্ঞাসাবাদের খবর পেতেই পুলিসের নাগালে চলে আসে সুরজ। অবশেষে সে স্বীকার করে খুনের কথা। তার সঙ্গীর সন্ধানও সে দেয়। পুলিস এরপর রাজকুমারকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আসানসোল আদালতে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। শুক্রবার রাতে পুলিস মৃতের ফোন, অভিযুক্তদের রক্ত মাথা প্যান্টও উদ্ধার করেছে।



