সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: অচলাবস্থা কাটছে না রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে। উপাচার্য না থাকায় এবার রেজিস্ট্রারের ঘরে বিক্ষোভ দেখালেন জেলা তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা। বুধবার দুপুরে রেজিস্ট্রারের ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়েন সংগঠনের সদস্য তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মীরা। তাঁদের দাবি, সংগঠনের সভাপতি তপন নাগের সাসপেনশন তুলে নিতে পদক্ষেপ করছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তপনের সাসপেনশন তুলে নিতে আগেও বিক্ষোভ হয়েছে ক্যাম্পাসে। এর মাঝেই উপাচার্যের নতুন নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, তপনের সাসপেনশনের বিষয়ে রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপাচার্যের সম্মতি ছাড়া উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে কোনওরকম বৈঠক করতে পারবেন না। আর এখানেই চক্রান্তের অভিযোগ তুলছেন শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরা।
সংগঠনের সদস্য সুবীর চক্রবর্তীর অভিযোগ, উপাচার্য ইচ্ছাকৃতভাবে তপন নাগের সাসপেনশন তুলছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের জটিলতা জিইয়ে রাখতে চাইছেন। সুবীরের কথায়, আমরা জানতে পেরেছি রেজিস্ট্রারকেও পদক্ষেপ নিতে বারণ করা হয়েছে। তাই আমরা রেজিস্ট্রারের ঘরে গিয়েছিলাম। উপাচার্যের কথামতো চললে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধেও আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। বিক্ষোভের মাঝে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাসের সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকারের বক্তব্য, তিনি উপাচার্যের নির্দেশমতোই সব কাজ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জটিলতা কাটাতে তিনি উচ্চশিক্ষা দপ্তরে চিঠি করেছিলেন। দপ্তরের হস্তক্ষেপের দাবি করেছিলেন। তবে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে উপাচার্যের নতুন নির্দেশ নিয়ে রেজিস্ট্রার কিছু বলতে চাননি। অস্থায়ী উপাচার্য দীপককুমার রায় বলেন, নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর যাতে জটিলতা তৈরি না হয় সেজন্য নোটিস করেছি। উপাচার্যর আক্ষেপ, জটিলতা কাটাতে আমি চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। সবাই নতুন উপাচার্যের অপেক্ষা করছে। আশা করছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। সমস্ত রিপোর্ট উচ্চশিক্ষা দপ্তরকে পাঠানো হচ্ছে।
সংগঠনের সদস্য সুবীর চক্রবর্তীর অভিযোগ, উপাচার্য ইচ্ছাকৃতভাবে তপন নাগের সাসপেনশন তুলছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের জটিলতা জিইয়ে রাখতে চাইছেন। সুবীরের কথায়, আমরা জানতে পেরেছি রেজিস্ট্রারকেও পদক্ষেপ নিতে বারণ করা হয়েছে। তাই আমরা রেজিস্ট্রারের ঘরে গিয়েছিলাম। উপাচার্যের কথামতো চললে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধেও আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। বিক্ষোভের মাঝে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাসের সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা বচসায় জড়িয়ে পড়েন। রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকারের বক্তব্য, তিনি উপাচার্যের নির্দেশমতোই সব কাজ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জটিলতা কাটাতে তিনি উচ্চশিক্ষা দপ্তরে চিঠি করেছিলেন। দপ্তরের হস্তক্ষেপের দাবি করেছিলেন। তবে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে উপাচার্যের নতুন নির্দেশ নিয়ে রেজিস্ট্রার কিছু বলতে চাননি। অস্থায়ী উপাচার্য দীপককুমার রায় বলেন, নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আর যাতে জটিলতা তৈরি না হয় সেজন্য নোটিস করেছি। উপাচার্যর আক্ষেপ, জটিলতা কাটাতে আমি চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। সবাই নতুন উপাচার্যের অপেক্ষা করছে। আশা করছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। সমস্ত রিপোর্ট উচ্চশিক্ষা দপ্তরকে পাঠানো হচ্ছে।



