সংবাদদাতা, তপন: এক বছরে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের হার ২০ থেকে কমে দাঁড়াল ১১ শতাংশে। এই সাফল্য তপন ব্লকের স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের প্রচারের ফল বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দপ্তর। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত তপন ব্লকে মোট গর্ভবতীর সংখ্যা ছিল ৩২৫৩ জন। যাঁদের মধ্যে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের সংখ্যা ছিল ৬৫৯ জন। যা শতাংশের বিচারে প্রায় ২০.৩ শতাংশ। তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের লাগাতার সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে এক বছরে সেই সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্লকে মোট গর্ভবতীর সংখ্যা ছিল ২৯৮৩ জন। যার মধ্যে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের সংখ্যা ছিল ৩৩৩ জন। যা শতাংশের বিচারে প্রায় ১১.২ শতাংশ।
Advertisement
স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, গত এক বছরে যে হারে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের সংখ্যা কমেছে, এর পিছনে রয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচার। বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে প্রচার চালানো হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে। কাজে লাগানো হয়েছিল দুয়ারে সরকার শিবিরও। ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের হার সবচেয়ে বেশি ছিল রামপাড়া চেঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে।
এই এলাকাগুলিতে মুলত বাল্যবিবাহ আটকাতে জোর দিয়েছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিভিন্ন জায়গায় বাল্যবিবাহের খবর পেলেই সেখানে ছুটে গিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিয়ে বন্ধ করে মুচলেকা নেওয়া থেকে শুরু করে পরিবারকে সচেতন করেছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এএনএম, আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করেছেন এলাকাবাসীদের। বছর ঘুরতেই তার ফল মিলল হাতেনাতে।
তপন গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ অঙ্কুর দাস কর্মকার বলেন, ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহ এবং অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের কুফল সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা চালিয়েছিলাম। এই হার আরও কমাতে আমাদের কর্মসূচি চলবে।
এই এলাকাগুলিতে মুলত বাল্যবিবাহ আটকাতে জোর দিয়েছিল স্বাস্থ্য দপ্তর। বিভিন্ন জায়গায় বাল্যবিবাহের খবর পেলেই সেখানে ছুটে গিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। বিয়ে বন্ধ করে মুচলেকা নেওয়া থেকে শুরু করে পরিবারকে সচেতন করেছেন তাঁরা। স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে এএনএম, আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করেছেন এলাকাবাসীদের। বছর ঘুরতেই তার ফল মিলল হাতেনাতে।
তপন গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ অঙ্কুর দাস কর্মকার বলেন, ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিবাহ এবং অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের কুফল সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা চালিয়েছিলাম। এই হার আরও কমাতে আমাদের কর্মসূচি চলবে।



