সংবাদদাতা, তপন: তপনের সালাসে বেসরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি থাকা যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য। কর্মীদের গাফিলতিতে মৃত্যু বলে পরিবারের অভিযোগ। বুধবার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তপন থানার পুলিস।
Advertisement
মৃত সালাউদ্দিন সরকারের (২৭) বাড়ি তপন থানার মুরারিপুর এলাকায়। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে খবর, ড্রাগের নেশায় আসক্ত ছিলেন ওই যুবক। পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও এক সন্তান রয়েছে। পরিবারের লোকজন ১৮ অক্টোবর তাঁকে তপনের সালাসে বেসরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল সালাউদ্দিনের। মঙ্গলবার বিকেলে কেন্দ্রে চিকিৎসা চলাকালীন যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারকে ফোন করে সেই খবর জানানো হয়। প্রথমে তপন গ্রামীণ হাসপাতাল এবং সেখান থেকে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যুবককে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের পর গঙ্গারামপুর থানার পুলিস কেন্দ্রের দু’জনকে আটক করে তপন থানার হাতে তুলে দেয়।
মৃতের জামাইবাবু রাজু সরকার বলেন, ড্রাগের নেশা ছাড়াতে ওই কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলাম। মঙ্গলবার বিকেলে আমার শ্বশুরকে ফোন করে অসুস্থতার খবর দেয় সেখান থেকে। প্রথমে তপন হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে। কিছুক্ষণ পর গঙ্গারামপুর হাসপাতালে যেতে বলে কেন্দ্র থেকে। গঙ্গারামপুর গিয়ে দেখি সালাউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।
তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নেশামুক্তি কেন্দ্র চালানোর জন্য একটিও অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। তা সত্ত্বেও কীভাবে ওই কেন্দ্র চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এপ্রসঙ্গে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, জেলায় কোনও নেশামুক্তি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। কীভাবে চলছে বলতে পারব না। অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখা হবে।
মৃতের জামাইবাবু রাজু সরকার বলেন, ড্রাগের নেশা ছাড়াতে ওই কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলাম। মঙ্গলবার বিকেলে আমার শ্বশুরকে ফোন করে অসুস্থতার খবর দেয় সেখান থেকে। প্রথমে তপন হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলে। কিছুক্ষণ পর গঙ্গারামপুর হাসপাতালে যেতে বলে কেন্দ্র থেকে। গঙ্গারামপুর গিয়ে দেখি সালাউদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।
তপন থানার পুলিস জানিয়েছে, দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় নেশামুক্তি কেন্দ্র চালানোর জন্য একটিও অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। তা সত্ত্বেও কীভাবে ওই কেন্দ্র চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এপ্রসঙ্গে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, জেলায় কোনও নেশামুক্তি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। কীভাবে চলছে বলতে পারব না। অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখা হবে।



