সংবাদদাতা, ইসলামপুর ও পতিরাম: ১৯ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ও উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরে। শুক্রবার রাতে ট্যাবের টাকা প্রতারণা যোগে কালিম্পং জেলার গরুবাথান থানার পুলিস ইসলামপুরের গুঞ্জরিয়া থানা এলাকা থেকে মহম্মদ মুস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তারপর এদিনের ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য।
Advertisement
ইসলামপুরের গোয়ালপোখরে কিচকটোলা হাইস্কুলের ১৩ জন পড়ুয়া এখনও প্রকল্পের টাকা পায়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ ব্যাঙ্কে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে ওই পড়ুয়াদের টাকা বিভিন্ন এলাকায় অন্য অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। দেরি না করে কর্তৃপক্ষ ইসলামপুর সাইবার থানায় অভিযোগ করেছে।
প্রধান শিক্ষক সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আমাদের স্কুলের ১৩ জন পড়ুয়ার টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। শুরুতে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। কিছুদিন আগে এক পড়ুয়া টাকা পায়নি বলে অভিযোগ করে। চেক করে দেখি ১৩ জন পড়ুয়া প্রতারণার শিকার হয়েছে। ব্যাঙ্ক থেকে জানতে পারি চোপড়ার ধনিরহাট, গোয়ালপোখরের সাহাপুর ও কেরলের বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় সেই টাকা ঢুকেছে। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।
ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।
এদিকে তপন ব্লকের আরসিএ মাগুরপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৬ পড়ুয়া ট্যাবের টাকা না পাওয়ায় সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এবিষয়ে ডিএসপি (ডিইবি) রাহুল বর্মন বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্কুল সূত্রে খবর, ১০২ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা পাওয়ায় কথা ছিল। গত অক্টোবরে ৯৬ জনের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যায়। পুজোর ছুটি শেষে এক পড়ুয়া স্কুলে এসে ট্যাবের টাকার বিষয়ে জানতে চায়। দেখা যায়, ওই পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। কার কার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি জানতে নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। দেখা যায় ছয় পড়ুয়া টাকা পায়নি। ব্যাঙ্কে খোঁজখবর নিতেই বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। দেখা যায়, স্কুল থেকে ওই ৬ পড়ুয়ার আপলোড করা নথিতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বদলে গিয়েছে। টাকা ঢুকেছে অন্য অ্যাকাউন্টে। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির ব্রাঞ্চ আলাদা হলেও উপভোক্তাদের ঠিকানা উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লকে দেখাচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সেন বলেন, যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, তারা সবাই উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লকের। বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি।
প্রধান শিক্ষক সুভাষচন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আমাদের স্কুলের ১৩ জন পড়ুয়ার টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। শুরুতে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। কিছুদিন আগে এক পড়ুয়া টাকা পায়নি বলে অভিযোগ করে। চেক করে দেখি ১৩ জন পড়ুয়া প্রতারণার শিকার হয়েছে। ব্যাঙ্ক থেকে জানতে পারি চোপড়ার ধনিরহাট, গোয়ালপোখরের সাহাপুর ও কেরলের বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় সেই টাকা ঢুকেছে। ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।
ইসলামপুর পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার ডেন্ডুপ শেরপা বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।
এদিকে তপন ব্লকের আরসিএ মাগুরপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ৬ পড়ুয়া ট্যাবের টাকা না পাওয়ায় সাইবার ক্রাইম থানার দ্বারস্থ হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এবিষয়ে ডিএসপি (ডিইবি) রাহুল বর্মন বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্কুল সূত্রে খবর, ১০২ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা পাওয়ায় কথা ছিল। গত অক্টোবরে ৯৬ জনের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যায়। পুজোর ছুটি শেষে এক পড়ুয়া স্কুলে এসে ট্যাবের টাকার বিষয়ে জানতে চায়। দেখা যায়, ওই পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। কার কার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি জানতে নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। দেখা যায় ছয় পড়ুয়া টাকা পায়নি। ব্যাঙ্কে খোঁজখবর নিতেই বেরিয়ে আসে আসল তথ্য। দেখা যায়, স্কুল থেকে ওই ৬ পড়ুয়ার আপলোড করা নথিতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বদলে গিয়েছে। টাকা ঢুকেছে অন্য অ্যাকাউন্টে। ওই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলির ব্রাঞ্চ আলাদা হলেও উপভোক্তাদের ঠিকানা উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লকে দেখাচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় সেন বলেন, যাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, তারা সবাই উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া ব্লকের। বিষয়টি নিয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি।



