সংবাদদাতা, তপন: তপন থানা মোড় থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তা ১০ বছর বেহাল। একাধিকবার ব্লক বা পঞ্চায়েতে জানিয়েও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। দিনের পর দিন বঞ্চনার অভিযোগ করে ফুঁসছেন তাঁরা।
Advertisement
স্থানীয়দের দাবি, ৬ নম্বর তপন চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানা মোড় থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তাটি মাত্র ১০০ মিটার হলেও কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা সেটি ব্যবহার করেন। ওই রাস্তা দিয়ে কসবা, বাঘইট, গার্লস স্কুল এবং গম্ভীরাতলা যাওয়া যায়। বারবার জানালেও ১০ বছর ধরে সেই রাস্তা সংস্কার হচ্ছে না। ২০১৩ সালে রাস্তাটি তৈরি করার এক বছরের মধ্যে পিচ উঠে যেতে শুরু করে। এখন সেটির কঙ্কালসার অবস্থা। টোটো, সাইকেল, বাইক সহ অন্যান্য যান নিয়ে যেতে হয়রান হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। কয়েক বছর ওই পথ ধরে বাস, ছোট গাড়ি বা অন্যান্য যানবাহন বাসস্ট্যান্ডে যেতে পারে না। বছর দু’য়েক আগে তপন বিডিও অফিস এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে লিখিত আবেদন জানানো হলেও প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ। তপনের শিক্ষক অলোক সরকার বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি ১০ বছর ধরে বেহাল হয়ে পড়ে রয়েছে। সংস্কার হলে বাসস্ট্যান্ডে যানবাহন যেতে সুবিধা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণের সময় নিম্নমানের কাজ হওয়ায় এক বছরের মধ্যেই রাস্তার পিচ উঠে যেতে শুরু করে। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম সমস্যা হচ্ছে। চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সাবিনা টুডুর কথায়, লিখিতভাবে রাস্তার জন্য আবেদন জানালে অ্যাকশন প্ল্যানে ধরে কাজ করার ব্যবস্থা করব।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৃষ্ণা বর্মন বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে জানিয়েছি। দ্রুত কাজ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণের সময় নিম্নমানের কাজ হওয়ায় এক বছরের মধ্যেই রাস্তার পিচ উঠে যেতে শুরু করে। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম সমস্যা হচ্ছে। চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সাবিনা টুডুর কথায়, লিখিতভাবে রাস্তার জন্য আবেদন জানালে অ্যাকশন প্ল্যানে ধরে কাজ করার ব্যবস্থা করব।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কৃষ্ণা বর্মন বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে জানিয়েছি। দ্রুত কাজ করা হবে।



