নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: শীতে জবুথুবু শিল্পাঞ্চল। দু’ দিনের মধ্যে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ৮ ডিগ্রিতে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় হাইপো থার্মিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে শিশু ও বয়স্কদের। সতর্ক করছেন চিকিৎসক মহল। বৃহস্পতিবার আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যেখানে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি। হঠাৎ হাড়কাঁপুনি ঠান্ডার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত বায়ু দূষণে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন শিল্পাঞ্চলের বহু মানুষ। এই পরিস্থিতিতে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।
Advertisement
জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মহম্মদ ইউনুস বলেন, আকষ্মিক ভাবে তাপমাত্রা অতিরিক্ত ওঠানামা করছে। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার মেকানিজম ফেলিওর হতে পারে। যাকে হাইপো থার্মিয়া বলা হয়। শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি আমাদের এলাকায় দূষণ বেশি হওয়ায় সেখানে বহু মানুষের শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। অনেকের আবার অতিরিক্ত ঠান্ডায় কোল্ড এয়ার অ্যালার্জি হয়। তাতে মিউকাস মেমব্রেন স্ফিত হয়ে গিয়ে শ্বাসকষ্ট বাড়িয়ে তোলে। হাসপাতালে এগুলির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো আছে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।
সোমবার ৩০ ডিসেম্বর পিকনিক করতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়েছিলেন পর্যটকরা। রোদের তেজ গ্রীষ্মের আমেজ এনে দিয়েছিল। সেদিন আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নীচে নামেনি। তার ঠিক দু’ দিনের মাথায় পারদ নেমে গেলে ১০ ডিগ্রির নীচে। পারদের এই আকস্মিক পতনে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। হাসপাতাল ডাক্তারের চেম্বারে ভিড় বাড়ছে।
শিশু ও বয়স্কদের জন্য কিছুটা উদ্বেগ বাড়লেও অনেকে আবার এই প্রবল শীতকে উপভোগও করছেন। বিশেষ করে যারা পিকনিক করতে মাইথন বা কোনও ফাঁকা জায়গায় ভিড় জমিয়েছেন, তাঁরা সূর্যের মিষ্টি রোদে আনন্দে মেতে উঠছেন। বুধবার ১ জানুয়ারির পর এদিনও বহু মানুষকে পিকনিক করতে দেখা গিয়েছে। মানুষের এই উৎসাহ থেকে স্পষ্ট যে, বছরের প্রথম উইকএন্ডেও ব্যাপক ভিড় হবে পিকনিক স্পটগুলিতে।
সোমবার ৩০ ডিসেম্বর পিকনিক করতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়েছিলেন পর্যটকরা। রোদের তেজ গ্রীষ্মের আমেজ এনে দিয়েছিল। সেদিন আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নীচে নামেনি। তার ঠিক দু’ দিনের মাথায় পারদ নেমে গেলে ১০ ডিগ্রির নীচে। পারদের এই আকস্মিক পতনে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। হাসপাতাল ডাক্তারের চেম্বারে ভিড় বাড়ছে।
শিশু ও বয়স্কদের জন্য কিছুটা উদ্বেগ বাড়লেও অনেকে আবার এই প্রবল শীতকে উপভোগও করছেন। বিশেষ করে যারা পিকনিক করতে মাইথন বা কোনও ফাঁকা জায়গায় ভিড় জমিয়েছেন, তাঁরা সূর্যের মিষ্টি রোদে আনন্দে মেতে উঠছেন। বুধবার ১ জানুয়ারির পর এদিনও বহু মানুষকে পিকনিক করতে দেখা গিয়েছে। মানুষের এই উৎসাহ থেকে স্পষ্ট যে, বছরের প্রথম উইকএন্ডেও ব্যাপক ভিড় হবে পিকনিক স্পটগুলিতে।



