Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি, জেলায় শৈত্যপ্রবাহ

তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি, জেলায় শৈত্যপ্রবাহ
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, বহরমপুর: নতুন বছরের শুরু থেকেই তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করেছে। কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে দোসর উত্তুরে হাওয়া। সকাল-সন্ধ্যা কুয়াশার দাপট বাড়ছে। শৈত্যপ্রবাহে মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দারা এখন জবুথবু হয়ে পড়েছেন।
Advertisement
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বহু মানুষকে মাঠে বসে রোদে পোহাতে দেখা গেল। আর সন্ধ্যা নামলেই আগুন ঘিরে জটলা। সেখানে হাত-পা গরম করে একটু স্বস্তি পাচ্ছেন বহু মানুষ। রাত জাগা বহরমপুর শহর এখন রাত ১০টা বাজতে না বাজতেই শুনসান হয়ে পড়ছে। আবহাওয়া দপ্তরের দাবি, ঠান্ডা আরও জাঁকিয়ে পড়তে পারে। একসপ্তাহ কনকনে শীত থাকবে।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহেও তেমন ঠান্ডার প্রভাব দেখা যায়নি। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই শীত কামড় বসাতে শুরু করেছে। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাতেই প্রবল ঠান্ডায় সন্ধ্যার পর থেকেই শহর ফাঁকা হতে শুরু করে। গোরাবাজার এলাকার বাসিন্দা রঞ্জিত মালাকার বলেন, পৌষমাসের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও শীত জানান দেয়নি। কিন্তু এবার শীত কামড় বসাচ্ছে।
বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় দলে দলে মানুষকে আগুন পোহাতে দেখা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একই ছিল। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বুধবার সন্ধ্যা থেকে উত্তরের ঠান্ডা হাওয়া বহু মানুষকে কাবু করে দিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্করা শীতে বেশি কাবু হয়ে পড়েছেন। প্রাতর্ভ্রমণ ও সান্ধ্যভ্রমণে বয়স্কদের পাশাপাশি মাঝবয়সিরাও বেরোচ্ছেন না। বিকেলের পর থেকে হু-হু করে তাপমাত্রা কমছে। সেইসঙ্গে কুয়াশাও বাড়ছে। সকাল পর্যন্ত এলাকা কুয়াশায় ঢেকে থাকছে।কুয়াশা বেড়ে যাওয়ায় আলু ও ধানচাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে। কুয়াশা বাড়লে আলুতে নাবিধসা রোগের প্রকোপ বাড়বে। সেইসঙ্গে ধানের চারার বৃদ্ধি ব্যাহত হবে। ধানগাছের রঙ হলুদ হতে শুরু করবে। বড়ঞার আলুচাষি কৃপাসিন্ধু ঘোষ বলেন, আলু তুলতে এখনও দুটো সেচ লাগবে। কিন্তু কয়েকদিন কুয়াশা হলেই আলুতে ধসা রোগ হবে। -নিজস্ব চিত্র
 
সম্পর্কিত সংবাদ