সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: তৃণমূল পরিচালিত তুফানগঞ্জ পুরসভায় সমস্যা মেটার নাম নেই। চেয়ারপার্সন ও ভাইস চেয়ারম্যান তলবি সভা না ডাকায় এবারে ময়দানে নামছেন বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা। যা ঘিরে তুফানগঞ্জ পুরসভায় রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পুরসভা ১২টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। ১৭ জানুয়ারি দলের ১০ কাউন্সিলার চেয়ারপার্সন কৃষ্ণা ঈশোরের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। পরিস্থিতি এমন দিকে গড়ায়, যে পুরসভা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন কাউন্সিলরারা। পুর আইন অনুযায়ী, অনাস্থা আনার পনেরো দিনের মধ্যে চেয়ারপার্সনকে তলবি সভা ডাকতে হয়। চেয়ারপার্সনের মেয়াদ শেষের সাতদিনের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যানকে তলবি সভা ডাকার নিয়ম রয়েছে। তা না হলে তিন কাউন্সিলার তলবি সভা ডাকতে পারেন। সোমবার ছিল ভাইস চেয়ারম্যানের সভা ডাকার শেষদিন। অথচ কাউন্সিলাদের নিয়ে কোনও সভাই হয়নি বলে খবর। সূত্র বলছে, ২, ৩ এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুধাংশুশেখর সাহা, বিনোদবিহারি বর্মন এবং অনন্তকুমার বর্মা মিলে তলবি সভার ডাক দিয়েছেন। ১৩ ফেব্রুয়ারী সেই সভা হবে। কাউন্সিলার সুধাংশুশেখর লেন, চেয়ারপার্সন এবং ভাইস চেয়ারম্যান কেউই তলবি সভার ডাক দেননি। তাই আমরা আইন মেনে সভা ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই চিঠি ইমেলে প্রসাশনিক আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান তনু সেন বলেন, কোনও সভা হয়নি। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে তা মেনে নেওয়া হবে। পুরসভার ডামাডোল নিয়ে শাসকদলকে নিশানা করেছে বিরোধীরা। বিজেপি শহর মণ্ডল সভাপতি বিপ্লব চক্রবর্তী বলেন, নিজেদের মধ্যে টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে এই দ্বন্দ্ব। শহরবাসীর বুঝতে আর অসুবিধে নেই। সিপিএমের শহর এরিয়া সম্পাদক অসীম সাহা বলেন, কাউন্সিলাদের এই দ্বন্দ্বর কারণে সাধারণ মানুষ পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।



