


বিশেষ সংবাদদাতা, লেহ: পহেলগাঁও হামলার ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পে। ২০২৫ সালে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছিল পর্যটকদের সংখ্যা। প্রায় একই অবস্থা লাদাখের। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর লাদাখে পর্যটক সংখ্যা ২ লক্ষ ৯২ হাজার থেকে কমে হয়েছে ২ লক্ষ ১২ হাজার। এজন্য লাদাখের গণআন্দোলনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, লে ও কার্গিল—দুই জেলাতেই দেশি ও বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমেছে। পর্যটন মন্ত্রকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে লে-তে ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৯২ হাজার ৮৩৬। ২০২৫ সালে কমে হয়েছে ২ লক্ষ ১২ হাজার ৭৯৯। কার্গিলে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। ২০২৪ সালে সেখানে ভ্রমণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ২০ হাজার ৪৩২। ২০২৫ সালে মাত্র ৯৩ হাজার ৩৮৯। অর্থাৎ প্রায় ৭০.৯ শতাংশ কম। বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। লে-তে বিদেশি পর্যটক ২০২৪ সালের ৩৪ হাজার ৯১৫ থেকে কমে গত বছরে হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯। কার্গিলে ২০২৪ সালে পা রেখেছিল ৪ হাজার ২১৫ বিদেশি পর্যটক। ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ৩ হাজার ৭২।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়া লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা প্রদান ও ষষ্ঠ তপশিলে অন্তর্ভুক্তি— জোড়া দাবিতে ১৫ দিন অনশন করেন পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। এই ইস্যুতে উত্তাল হয় গোটা লাদাখ। গণআন্দোলনের জেরে বহুদিন বন্ধ ছিল দোকানপাট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অচলাবস্থার প্রভাব সরাসরি পড়েছে পর্যটন শিল্পে।