নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পাঁচদিন বাদে অবশেষে বাসন্তীর হোগল নদীতে ডুবে যাওয়া ট্যুরিস্ট বোটটি রবিবার সকালে জল থেকে তোলা হল। তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে নিখোঁজ দুই বোট কর্মীর দেহ। ওই বোট উদ্ধারে গত কয়েকদিন ধরেই এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের টিম লাগাতার চেষ্টা করে গিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার ন্যাজাট থেকে ডুবুরিদের একটি দলকেও আনা হয়েছিল। তারাও নানা চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু কোনওভাবেই সেটিকে নদী থেকে তোলা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত শনিবার রাতে দড়ি ও লোহার চেন দিয়ে টেনে পাড়ের কাছে নিয়ে আসা হয়। এদিন সকালে ভাটার সময় সেটিকে জল থেকে তোলা সম্ভব হয়েছে। এরপর তল্লাশি চালিয়ে ভিতর থেকে দু’জনের দেহ বের করা সম্ভব হয়েছে। ২৮ এপ্রিল কালবৈশাখীর দাপটে উল্টে যায় বোটটি। তাতে মোট পাঁচজন ছিলেন। সেই সময় তিনজনকে উদ্ধার করা গেলেও দু’জনের হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না। ধরে নেওয়া হয়েছিল, তাঁরা বোটের ভিতরেই আটকে রয়েছেন। বোটটি উদ্ধারের পর সেই আশঙ্কাই সত্য প্রমাণিত হল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা জানান, নদীর যে অংশে বোটটি ডুবেছিল, সেখানে গভীরতা ১০০ ফুটের বেশি। স্রোতের ব্যাপক টান ছিল। ফলে উদ্ধারকার্য ব্যাহত হয়। দড়ি লাগিয়ে নানাভাবে ট্যুরিস্ট বোটটি তোলার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। শেষমেশ বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডলের উদ্যোগে ভাসমান পল্টুন জেটি আনা হয় ঘটনাস্থলে। তার সাহায্যে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরাই লোহার চেন ও দড়ি বেঁধে বোটটি টেনে নিয়ে আসেন পাড়ে। তারপর ভাটার সময় ধীরে ধীরে সেটিকে উপরে তুলে আনা হয়। নিজস্ব চিত্র



