Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / রাজ্য

সাঁকরাইলে দুর্গাহুড়ি ইকো পার্কের সংস্কার, আশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা

সাঁকরাইল ব্লকের দুর্গাহুড়ি পার্কের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। সাত বছর ধরে পার্কটি অবহেলায় পড়ে ছিল

সাঁকরাইলে দুর্গাহুড়ি ইকো পার্কের সংস্কার, আশায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা
  • ২৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: সাঁকরাইল ব্লকের দুর্গাহুড়ি পার্কের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। সাত বছর ধরে পার্কটি অবহেলায় পড়ে ছিল।পর্যটকদের আসা যাওয়া কমে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পার্কের সংস্কার ও সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি তুলছিলেন। খড়গপুরের ডিএফও মণীশ যাদব বলেন, দুর্গাহুড়ি ইকো পার্ক সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে পার্কের সংস্কার শুরু হয়েছে।‌ 

Advertisement

খড়গপুর বনবিভাগের অধীনে থাকা প্রায় ৪০ হেক্টর জায়গা জুড়ে রয়েছে এই ইকো পার্কটি। স্থানীয় বনসুরক্ষা কমিটি পার্কের দেখাশোনা করত। জঙ্গলে ঘেরা এই পার্কের ভিতরে রয়েছে জলাশয়। বনদপ্তরের উদ্যোগে ওই জলাশয়ের ধারে বসার শেড নির্মাণ হয়েছিল। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেটি ভেঙে পড়েছিল। এই পার্কের ভিতরেই ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। পর্যটকরা ওয়াচ টাওয়ারে উঠে আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।  শীতের মরশুমে এখানে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা দল  বেঁধে এখানে বনভোজন করতে আসেন। জেলার ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরলে সহজেই দুর্গাহুড়ি পার্কে পৌঁছানো যায়। 
ঝাড়গ্রাম শহর থেকে লোধাশুলি মোড় হয়ে গুপ্তমণি, কুলটিকরি ও কেশিয়াপাতা যাওয়ার রাস্তা ধরেও পার্ক আসা যায়। দূর্গাহুড়ি পার্ক জেলার পর্যটন মানচিত্রে সেভাবে জায়গা পায়নি। পার্কটি দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলার শিকার। পর্যটকদের আসার সংখ্যাও কমছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা জলাশয়ে বোটিং, বাচ্চাদের জন্য খেলার জায়গা, চিড়িয়াখানা নির্মাণের দাবি তুলছিলেন। 
সাঁকরাইল ব্লকের রোহিণীর বাসিন্দা কার্তিক মাহাত বলেন, দুর্গাহুড়ি ইকো পার্ক এলাকার অন্যতম পর্যটনস্থল ছিল। পার্কের ভিতরে গতবছর জলাশয়ে পড়ে দুই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছিল। জায়গাটিকে পরে ঘেরা হয়। বর্তমানে পার্কের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যটকরা আবার এখানে আসবেন বলেই আশা করছি। 
ঝাড়গ্রাম ডিস্ট্রিক হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য বলেন, পর্যটকদের বড়ো অংশ বেলপাহাড়ি ও গোপীবল্লভপুরে যান। এসব এলাকায় বহু হোটেল ও রিসর্ট হয়েছে। স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। দুর্গাহুড়ি ইকো পার্ক চালু হলে সাঁকরাইলের দিকেও পর্যটকদের আসা যাওয়া বাড়বে। পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত হোম স্টে,  হোটেল মালিক, গাড়িচালক ও ট্যুরিস্ট গাইডদের রোজগারও বাড়বে। 
সাঁকরাইল পঞ্চায়েত সমিতির এক  সদস্যর কথায়, পার্কটি বন দপ্তরের আওতাধীন। সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যটনের মরশুমে এবার বহু পর্যটক এখানে আসবে বলেই মনে করছি। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ