Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দু’দিনের ছুটিতে পর্যটকের ভিড় উপচে পড়ল মুর্শিদাবাদের দর্শনীয় স্থানগুলিতে

দু’দিনের ছুটিতে পর্যটকের ভিড় উপচে পড়ল মুর্শিদাবাদের দর্শনীয় স্থানগুলিতে
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, লালবাগ: শুক্রবার দোল উৎসবের দিন হাজারদুয়ারি বন্ধ থাকায় মুর্শিদাবাদে পর্যটক সমাগম অন্যান্য বছরের তুলনায় কম ছিল। তবে, হাজারদুয়ারি খুলতেই শনি ও রবিবার পর্যটকদের ভিড় উপচে পড়ে দর্শনীয় স্থানগুলিতে। বিশেষ করে নবাবি স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম এবং মোতিঝিল বা প্রকৃতি তীর্থে দিনভর পর্যটকদের ঢল লক্ষ্য করা যায়। মুর্শিদাবাদ শহর এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার দর্শনীয় স্থানগুলিতে প্রচুর সংখ্যায় পর্যটক সমাগম হওয়ায় চওড়া হাসি ফুটেছে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পেশার মানুষের মুখে। সূত্রের খবর, গত দু’দিন শহরের ছোটবড় কোনও আবাসিক হোটেলের ঘর ফাঁকা ছিল না। পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলের দাবি, প্রায় দুই মাস পর মুর্শিদাবাদ শহরে এত সংখ্যায় পর্যটক সমাগম হল। দোল উৎসব উপলক্ষ্যে হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম, কাটরা মসজিদ, মোতিঝিল সহ মুর্শিদাবাদের দর্শনীয় স্থানগুলিতে পর্যটকদের ঢল নামে। নবাবের শহরে দোল উৎসবে শামিল হতে আগের দিন থেকেই অনেকে আসতে শুরু করেন। এই সময়ে দু’-তিন দিনের ট্যুরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসায় হোটেল ব্যবসা চাঙ্গা হয়। ভালো রোজগারের আশায় অন্যান্য পেশার মানুষরাও শীতের মরশুমের পরে দোল উৎসবের এই দু’-তিন দিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম অধিগ্রহণের পরে থেকেই সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার নবাবি স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শনটি বন্ধ থাকে। দোল উৎসব শুক্রবার পড়ে যাওয়ায় চরম আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করেছিল পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহল। শুক্রবার হাজারদুয়ারি প্যালেস মিউজিয়াম বন্ধ থাকলেও দোল উৎসবের দিনটি নবাবি শহরে কাটানোর জন্য সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা আসতে  থাকেন। শনি ও রবিবার পর্যটকদের ঢল নামে। 

Advertisement

হোটেল ব্যবসায়ী পরিতোষ দাস বলেন, বড়দিন, ১ জানুয়ারির পর এই শনি ও রবিবার মুর্শিদাবাদে প্রচুর পর্যটক এসেছিলেন। শুক্রবার হাজারদুয়ারি বন্ধ থাকলেও মোতিঝিল সহ অন্যান্য স্থানগুলি ঘুরে দেখার জন্য ওইদিন কয়েক হাজার পর্যটক এসেছিলেন। শুক্রবার বিকেলে থেকে রবিবার পর্যন্ত সব রুম বুকড ছিল। অপর এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, দোল শুক্রবার হওয়ায় পর্যটক সমাগম নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। তবে, এবছর পর্যটকদের চাপ এতটাই ছিল যে, অনেকে ঘর না পেয়ে ফিরে গেছেন। তিনদিন ভালো ব্যবসা হয়েছে। গাইড মঙ্গল ঘোষ বলেন, দোলের দিন থেকে রবিবার রাত পর্যন্ত পর্যটকদের ঢল নেমেছিল। অনেকদিন পরে ভালো রোজগার হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা চেম্বার অব কমার্সের যুগ্ম সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, চৈত্রের শুরু থেকেই বেশ গরম পড়েছে। সেই কারণে গরমে এত সংখ্যায় পর্যটকের সমাগম আশা করা যায়নি। পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন মহলের দুশ্চিন্তা দূর করে রীতিমতো পর্যটকদের ঢল নেমেছিল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ