Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হাসপাতালের দুই গেটে টোটোর দৌরাত্ম্য, আটকে যায় অ্যাম্বুলেন্স

হাসপাতালের দুই গেটে টোটোর দৌরাত্ম্য, আটকে যায় অ্যাম্বুলেন্স
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকছে টোটো। এতে গেটের সামনে যানজট তৈরি হচ্ছে। হাসপাতাল চত্বরে টোটোর দৌরাত্ম্যে চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছেন রোগীর পরিজনদের। তারপরেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ টোটো নিয়ন্ত্রণে কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ। 

Advertisement

মূল সড়ক থেকে হাসপাতালে ঢোকার দু’টি গেটে আছে। অভিযোগ, দুই গেটের সামনে বেশ কিছু টোটো যাত্রী তোলার জন্য দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাসপাতালে ঢোকার মুখেই যানজটে পড়তে হয় রোগী ও রোগীর পরিজনদের। হাসপাতাল চত্বরে যত্রতত্র টোটো ঘোরাঘুরি করে। দাঁড়িয়ে থাকে। আউট ডোরের সামনেও একই অবস্থা। ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনেও টোটোর দাপট। রোগী নিয়ে ঢুকতেও সমস্যায় পড়েন অ্যাম্বুলেন্স চালকরা।
হাসপাতাল সুপার সুরজ সিনহা বলেন, এবিষয়ে আমরা এর আগেও রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে আলোচনা করেছি। সমস্যার কথা পুলিস প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। জানানোর পর দু’একদিন ঠিক থাকে। তারপর আবার যে কে সেই অবস্থা।
বাসিন্দারা বলছেন, শহরে রাস্তায় টোটোর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। টোটো নিয়ন্ত্রণে কোনও ব্যবস্থা নেই প্রশাসনের। যাত্রী তুলতে টোটো চালকরা হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ঢোকে। এক দিকের গেট দিয়ে ঢুকে অন্য দিকের গেট দিয়ে বেরিয়ে যায়। কেউ কেউ আবার ক্যাম্পাসেই অপেক্ষা করে। হাসপাতালে আসা এক রোগীর পরিজন মহম্মদ গফুর বলেন, টোটো চালকদের অন্তত ইমার্জেন্সি গেটের সামনে দাঁড়ানো উচিত নয়। যে কোনও সময় রোগী নিয়ে ঢুকতে হয়। রেফার করা রোগীকেও ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনে দিয়েই বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে সকাল ১০ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত ভিড় বেশি থাকে। সেসময় টোটোর সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ওই সময় আউটডোর খোলা থাকে। ইসলামপুর মহকুমার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, ডালখোলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ হাসপাতালে আসেন। সংলগ্ন বিহার থেকেও রোগীরা আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে আসেন। এই সুযোগে যাত্রী ধরার জন্য অনেক টোটো ক্যাম্পাসে ভিড় করে। অ্যাম্বুলেন্স চালক মহম্মদ মুস্তাফা বলেন, টোটোর জন্য অনেক অসুবিধা হয়। রোগী নিয়ে ঢুকতে কিংবা রেফার করা রোগীকে শিলিগুড়ি নিয়ে যেতে টোটোর যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। কবে এই সমস্যা মিটবে, জানেন না কেউ। - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ