Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাসত-মধ্যমগ্রামে রাজ্য ও জাতীয় সড়কে টোটোয় নিষেধ, শুরু মাইকিং

বারাসত ও মধ্যমগ্রামে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চলাচল নিষিদ্ধ। প্রশাসনের মাইকিংয়ে জানানো হয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ। বিস্তারিত পড়ুন।

বারাসত-মধ্যমগ্রামে রাজ্য ও জাতীয়  সড়কে টোটোয় নিষেধ, শুরু মাইকিং
  • ১২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চলাচল নিষেধ করে শনিবার বারাসত শহরে মাইকিং করল প্রশাসন। তাতে বলা হয়, বারাসত ও মধ্যমগ্রাম শহরে জাতীয় ও রাজ্য সড়কে কোনো টোটো চলাচল করতে পারবে না। শুধুমাত্র রাস্তা পারাপারের প্রয়োজনে সর্বাধিক ৩০ মিটার পর্যন্ত জাতীয় বা রাজ্য সড়কে ওঠার অনুমতি থাকবে। তবে দুই শহরেই বহিরাগত কোনো টোটো চলাচল করতে পারবে না। নির্দিষ্ট রুটের বাইরেও টোটো চালানো যাবে না। কোনো রুট ছয় কিলোমিটারের বেশি হবে না। জাতীয় ও রাজ্য সড়কে ইঞ্জিন ও ব্যাটারি চালিত ভ্যানও চলাচল করতে পারবে না। যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো বা নামানো যাবে না। কোর্ট, জেলাশাসকের দপ্তর সহ প্রশাসনিকভাবে সংরক্ষিত এলাকার অন্তত ১০০ মিটার দূরে যাত্রী নামাতে হবে।

Advertisement

এদিকে, এই মাইকিং নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। টোটোর রুট ছয় কিলোমিটারের বেশি হচ্ছে কি না, বহিরাগত টোটো ঢুকছে কি না, জাতীয় ও রাজ্য সড়কে নিষেধাজ্ঞা ভেঙে টোটো চলছে কি না— এসবের উপর নজরদারি করবে কে? এনিয়ে বারাসতের ট্রাফিক ডিএসপি নীহাররঞ্জন রায় বলেন, টোটোচালকরা ১০ দিন সময় চেয়েছেন। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
এদিকে, রাস্তায় টোটো চালাতে লাগবে বৈধ কাগজপত্র– পরিবহণ দপ্তরের এহেন নির্দেশে বিপাকে বনগাঁর প্রায় দেড় হাজার টোটোচালক। কাগজপত্রের দাবিতে ইতিমধ্যে তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, টোটো চালানোর অনুমতি চেয়ে তৃণমূল নেতাদের বাড়তি টাকা দিতে হয়েছিল। এখন পরিবহণ দপ্তর আমাদের টোটো চালাতে বাধা দিচ্ছে।
বনগাঁ আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগাঁ শহরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টোটো রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার টোটো কাগজপত্র ছাড়াই চলাচল করে। তাই যাত্রী সুরক্ষার কথা ভেবে তাঁদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল আমলে বনগাঁ শহরে দুটি আলাদা টোটো ইউনিয়ন তৈরি হয়েছিল। পরিমল দাস নামে এক টোটোচালক বলেন, টোটোর দাম বাদেও ৭০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এখন এই কাগজপত্র না থাকার কারণে টোটো চালানো বন্ধ হয়ে গেলে না খেতে পেয়ে মরতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ