ইসলামাবাদ (পিটিআই): জেলবন্দি ইমরান খানের ফের সস্ত্রীক কারাদণ্ড। তোষাখানা দুর্নীতি সংক্রান্ত দ্বিতীয় মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে শনিবার ১৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ইসলামাবাদ (পিটিআই): জেলবন্দি ইমরান খানের ফের সস্ত্রীক কারাদণ্ড। তোষাখানা দুর্নীতি সংক্রান্ত দ্বিতীয় মামলায় পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকে শনিবার ১৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের আগস্ট থেকে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী জেলেই রয়েছেন। এবার তোষাখানা দুর্নীতি সংক্রান্ত দ্বিতীয় মামলায় সস্ত্রীক ইমরানকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড ও তাঁদের দু’জনকে ১ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দিলেন বিশেষ আদালতের বিচারক শাহরুখ আর্জুমান্দ। কড়া নিরাপত্তা বলয়ে রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা জেলে ইমরান ও বুশরা বিবিকে সাজা শোনান বিচারক। আদালত ইমরান ও বুশরা বিবিকে পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় (ফৌজদারি বিশ্বাসভঙ্গ) ১০ বছর ও দুর্নীতি বিরোধী বিভিন্ন ধারায় ৭ বছর কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। সস্ত্রীক ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সৌদি আরবের কাছ থেকে ২০২১ সালে পাওয়া বহুমূল্য রাষ্ট্রীয় উপহার তাঁরা সরকারি তোষাগারে ফিরিয়ে না দিয়ে আইন লঙ্ঘন করেছেন। উপহারের তালিকায় ছিল বহুমূল্য ঘড়ি, হীরে ও সোনার গয়নার সেট। বিচার চলাকালীন তাঁদের বিরুদ্ধে মোট ২১ জন সাক্ষী দেন। যদিও আদালতে যাবতীয় অভিযোগকে ভুয়ো ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন ইমরান। তাঁদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের হয়েছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাল আজহার কায়ানি বলেন, মামলা চলাকালীন জানা গিয়েছে, ওই রাষ্ট্রীয় উপহারগুলির প্রকৃত মূল্য ছিল ৭ কোটি টাকা। যদিও সেগুলির মূল্য দেখানো হয় মাত্র ৫৮ থেকে ৫৯ লক্ষ টাকা। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, নিয়ম মেনে ওই উপহারগুলি সরকারি তোষাখানায় ফিরিয়ে না দিয়ে বুশরা বিবি ও ইমরান খান সেগুলি নামমাত্র দামে কিনে নেওয়ার চেষ্টা করেন।