সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: ভিনরাজ্যে চাহিদা বাড়ছে হলদিবাড়ির এঁচোড়ের। ১৭-২০ টাকা কেজি দরে হলদিবাড়ির পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে এঁচোড়। প্রতিদিন ৫০-৬০ টন কাঁঠাল হলদিবাড়ি থেকে পাড়ি দিচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্যে।
সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: ভিনরাজ্যে চাহিদা বাড়ছে হলদিবাড়ির এঁচোড়ের। ১৭-২০ টাকা কেজি দরে হলদিবাড়ির পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে এঁচোড়। প্রতিদিন ৫০-৬০ টন কাঁঠাল হলদিবাড়ি থেকে পাড়ি দিচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্যে।
টম্যাটো, কাঁচালঙ্কা, শসার পাশাপাশি ভিনরাজ্যে হলদিবাড়ির এঁচোড়ের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারাও। হলদিবাড়ি ব্লকে বাণিজ্যিকভাবে কাঁঠাল চাষ তেমন না হলেও বেশিরভাগ কৃষক ও গৃহস্থ বাড়িতে গড়ে চার-পাঁচটি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। সেই সব গাছে কয়েক বছর ধরে খুব ভালো ফলন হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকায় হলদিবাড়িতে হওয়া কাঁঠালের গুনমান বেশ ভালো। শহরবাসীর পাতে চিকেন, মটনের বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ‘গাছপাঁঠা’। কদর বাড়ায় দামও বাড়ছে। কাঁঠাল বিক্রির টাকা মূলত গৃহকর্ত্রীদের মেলায় খুশি তাঁরাও। রবিবার হলদিবাড়ির পাইকারি আনাজ বাজারে আসা পাইকাররা ১৭-২০ টাকা কেজি দরে এঁচোড় কিনছেন। খোলা বাজারে এর দাম ছিল প্রায় দ্বিগুণ।
এঁচোড় কিনতে আসা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে এঁচোড় কিনছি। প্রতি পিস হিসেবে কাঁঠাল কিনে তা পাইকারি বাজারে নিয়ে যাচ্ছি। এরপর এসব খবরের কাগজে মুড়ে পাঠানো হচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্যে।
গৃহকর্ত্রী জয়ন্তী রায় বলেন, কাঁঠালে আলু, কাঁচা লঙ্কা, টম্যাটো চাষের মতো ঝুঁকি নেই। গাছও সেভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয় না। কাঁঠাল বিক্রি করে যা আসে পুরোটাই লাভ। পয়লা বৈশাখের আগে কাঁঠাল বিক্রি করতে পারলে দাম ভালো মেলে। তাই ক’বছর ধরে ফাঁকা জমিতে কাঁঠালের চারা রোপণ করছি।
এঁচোড় ব্যবসায়ী মহাবুল সরকারের কথায়, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ যাচ্ছে এখানকার এঁচোড়। হলদিবাড়ি বাজার থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০ টন কাঁচা কাঁঠাল রপ্তানি করছি আমরা। রবিবার ১৭-২০ টাকা কেজি দরে কাঁঠাল কিনেছি।