নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেই কথা মাথায় রেখে ভিড় নিয়ন্ত্রণে রাখতে নৈহাটি স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। কালীপুজোর দিন থেকে এই নির্দেশিকা চালু হবে বলে জানা গিয়েছে। ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে নৈহাটি লোকাল যাতায়াত করে। পুজোর ক’দিন তা ছ’নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে চলবে।
এছাড়া বড়মার মন্দির সংলগ্ন এলাকার রাস্তায় ২২টি লকগেট করা হচ্ছে। যাতে একসঙ্গে অনেক মানুষ ঢুকে যেতে না পারেন। নৈহাটির শতাব্দীপ্রাচীন বড়মার পুজোয় প্রতি বছর উপচে পড়ে দূরদূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীদের ঢল। দণ্ডী কাটা ভক্তদের সমাগমে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ব্যস্ততম অরবিন্দ রোড। সেই জনজোয়ার সামলে অঘটন এড়াতে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন ছকে ভিড় মোকাবিলার রূপরেখা চূড়ান্ত করল উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।
সোমবার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নৈহাটি মন্দির চত্বরে পরিদর্শনে যান জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া। সংলগ্ন নৈহাটি স্টেশন, সাবওয়েও পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন বারাকপুরের মহকুমা শাসক যাদব সূর্যভান আচ্ছেলাল, পুলিশ ও পুরসভার পদস্থ কর্তারা। পুজো কমিটির সঙ্গে আলোচনার পর জেলাশাসক জানান, মন্দিরে ঢোকা ও বেরনোর জন্য পুরোপুরি আলাদা ওয়ান-ওয়ে লেন চালু হচ্ছে। সংকীর্ণ গলিতে দুই অভিমুখের জনস্রোত মুখোমুখি হতে দেওয়া হবে না। গঙ্গার ঘাট থেকে স্নান সেরে আসা ভক্তদের যাতায়াতেও রাখা হচ্ছে বাড়তি নজর।
বড়মার দর্শনে এবার আলাদা ‘ভিআইপি কালচার’ থাকছে না। জেলাশাসকের বক্তব্য, বিশেষ সুবিধার নির্দেশিকা নেই, আমজনতার সুরক্ষাই অগ্রাধিকার। জরুরি পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে এনডিআরএফ জওয়ানদের। আয়োজন খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে প্রশাসন। ফাইল চিত্র



