নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। একই সঙ্গে বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে দলের একটা বড় অংশের ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁরা তাঁকে সম্মান করলেও তাঁর বাড়িতে বসে দলের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহ একাধিক বিষয় মেনে নিতে পারছেন না। এদিকে, প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায় যেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে ধরেই রাজনীতিতে ভেসে থাকতে চাইছেন। আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক থাকা ‘কাকা’ রবি ও ‘ভাইপো’ পার্থর ঘনিষ্ঠ হওয়াও দলের অন্দরে যথেষ্ট জলঘোলা শুরু হয়েছে। এই ইস্যুতে অনেকেই রবিবাবুর পাশে দাঁড়াতে চাইছেন না।
Advertisement
সামনে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যেখানে দলের ভাবমূর্তি ধরে রাখা দরকার সেই সময় নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে আসছে। যা আখেরে দলেরই ক্ষতি করবে। কিন্তু রবিবাবুর সাফ কথা ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে তাঁরা একত্রিত হয়েছেন। এতে তো সকলের খুশি হওয়ার কথা! কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, রবিবাবুকে বলেছি, আপনার ‘শনি’ আপনাকে হিরো থেকে জিরো করেছে। এবার জিরো থেকে মাইনাসে নিয়ে যাবে! কাউকে আলাদাভাবে বাড়িতে ডেকে গ্রুপবাজি করার অধিকার দল কাউকে দেয়নি। ভুল হলে আলোচনা করার জন্য দলের জেলা পার্টি অফিস আছে। আজ যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিচ্ছেন তাঁরা লোকসভা ভোটের জন্য কোনও পোস্ট দেননি। অনুপস্থিত থাকাটা ঠিক না। যাঁরা এসব করছেন তাঁদের সেখান থেকে সরে আসা উচিত।
দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, রবিবাবু এর আগে পার্থকে নিয়ে যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তারপর এই মিলন, মানুষ সন্দেহের চোখে দেখছে। দলে রবিবাবুকে সবাই সম্মান করেন। আশা করি তিনি এমন কোনও কাজ করবেন না যা দলের ক্ষতি হবে। বর্ধিত সভায় ডাকার বিষয়ে যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে তা নিয়ে দলে আলোচনা করব, খতিয়ে দেখব। রবিদার সঙ্গেও কথা বলব। জেলা সভাপতিকেও বলব কথা বলার জন্য। রবি-পার্থর কাছাকাছি আসাটা ভালো। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পার্টি অফিসে বসে নেওয়াই ভালো।
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, জনগণ শেষ কথা বলেন। আমরা দলের বাইরে নই। গ্রামেগঞ্জে হাজার হাজার দলের কর্মী আছেন। তাঁরাও দলের বাইরে নন। পার্টি অফিস আগেও ছিল এখনও আছে। আমার বাড়িতে সারা বছর ধরে মানুষ আসে। আগেও আসত, এখনও আসে, আগামী দিনেও আসবে। এতে অসুবিধার কি আছে? যা ভুল বোঝাবুঝি ছিল আমরা দু’জনেই সেসব মিটিয়ে নিয়েছি। এখন তো সকলের খুশি হওয়ার কথা! এতে দল শক্তিশালী হবে। পার্থপ্রতিম রায়কে তো দল বাদ দেয়নি! কমিটিতে নাম থাকলেই লিডার হয় না। গ্রামে যাঁরা কাজ করেন তাঁরাই আসল লিডার। যদিও এ ব্যাপারে পার্থপ্রতিম রায় বলেন, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আমরা কাছাকাছি এসেছি। আগে বলা হচ্ছিল কাকা-ভাইপো দ্বন্দ্ব। এখন কাছাকাছি আসাতে সমস্যা কোথায়? আমরা তো কোনও দলীয় কর্মসূচি গ্রহণ করিনি।
দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, রবিবাবু এর আগে পার্থকে নিয়ে যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তারপর এই মিলন, মানুষ সন্দেহের চোখে দেখছে। দলে রবিবাবুকে সবাই সম্মান করেন। আশা করি তিনি এমন কোনও কাজ করবেন না যা দলের ক্ষতি হবে। বর্ধিত সভায় ডাকার বিষয়ে যে মতানৈক্য তৈরি হয়েছে তা নিয়ে দলে আলোচনা করব, খতিয়ে দেখব। রবিদার সঙ্গেও কথা বলব। জেলা সভাপতিকেও বলব কথা বলার জন্য। রবি-পার্থর কাছাকাছি আসাটা ভালো। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পার্টি অফিসে বসে নেওয়াই ভালো।
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, জনগণ শেষ কথা বলেন। আমরা দলের বাইরে নই। গ্রামেগঞ্জে হাজার হাজার দলের কর্মী আছেন। তাঁরাও দলের বাইরে নন। পার্টি অফিস আগেও ছিল এখনও আছে। আমার বাড়িতে সারা বছর ধরে মানুষ আসে। আগেও আসত, এখনও আসে, আগামী দিনেও আসবে। এতে অসুবিধার কি আছে? যা ভুল বোঝাবুঝি ছিল আমরা দু’জনেই সেসব মিটিয়ে নিয়েছি। এখন তো সকলের খুশি হওয়ার কথা! এতে দল শক্তিশালী হবে। পার্থপ্রতিম রায়কে তো দল বাদ দেয়নি! কমিটিতে নাম থাকলেই লিডার হয় না। গ্রামে যাঁরা কাজ করেন তাঁরাই আসল লিডার। যদিও এ ব্যাপারে পার্থপ্রতিম রায় বলেন, দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আমরা কাছাকাছি এসেছি। আগে বলা হচ্ছিল কাকা-ভাইপো দ্বন্দ্ব। এখন কাছাকাছি আসাতে সমস্যা কোথায়? আমরা তো কোনও দলীয় কর্মসূচি গ্রহণ করিনি।



