সংবাদদাতা, লালবাগ: সরকারি রাস্তা তৈরি নিয়ে বিবাদ। তার জেরে বৃহস্পতিবার বাঁশ দিয়ে মেরে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল সিপিএমকর্মী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। জখম পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল আলিমকে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত সদস্যের মাথায় আটটি সেলাই পড়েছে। রাতেই পঞ্চায়েত সদস্যের মা অভিযুক্ত সিপিএম কর্মী সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ থানায় খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। মুর্শিদাবাদ থানার এক আধিকারিক বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্তরা পলাতক। তাদের খোঁজ চলছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লকের প্রসাদপুর পঞ্চায়েতের রামভদ্রপুরের ১১৫ মিটার রাস্তা এক দশকের বেশি সময় ধরে চরম বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। ফলে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। মাস খানেক আগে ৭০মিটার রাস্তা ঢালাই হয়। সম্প্রতি বাকি ৪৫মিটার রাস্তা ঢালাইয়ের জন্য প্রায় দেড় লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। ওই রাস্তার পাশেই রয়েছে অভিযুক্ত সিপিএম কর্মীর বাড়ি। বৃহস্পতিবার রাস্তার কাজ শুরুর কথা ছিল। সকালে শ্রমিকদের নিয়ে ঠিকাদার কাজ করতে যান। অভিযোগ, তাদের জায়গার উপর রাস্তা তৈরি হচ্ছে এই দাবিতে কাজে বাধা দেয় ওই সিপিএম কর্মী। কোনওভাবেই কাজ শুরু করতে না পারায় ঠিকাদার বিকেলে স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য আব্দুল আলিমকে ফোনে বিষয়টি জানান। কিছুক্ষণের মধ্যে পঞ্চায়েত সদস্য ঘটনাস্থলে যান। সিপিএম কর্মী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্য বচসায় জড়ান। বচসা চলাকালীন ওই সিপিএম কর্মী রাস্তার পাশে পড়ে থাকা বাঁশ তুলে পঞ্চায়েত সদস্যের মাথায় সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য।
লালবাগ মহকুমা হাসপাতালের বেডে শুয়ে আব্দুল সাহেব বলেন, রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা জবরদখল করে রেখেছিল। সেই জায়গায় রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয়। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যাই। তখন ওই সিপিএম কর্মী ও তাঁর পরিবারের লোকজন আমার উপর হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে না এলে আমাকে ওরা মেরেই ফেলত।
মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবু তালেব বলেন, সরকারি জায়গায় রাস্তা হচ্ছিল। অথচ ওই সিপিএম কর্মী গায়ের জোরে বাধা দিচ্ছিলেন। পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিক।
লালবাগ মহকুমা হাসপাতালের বেডে শুয়ে আব্দুল সাহেব বলেন, রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা জবরদখল করে রেখেছিল। সেই জায়গায় রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয়। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যাই। তখন ওই সিপিএম কর্মী ও তাঁর পরিবারের লোকজন আমার উপর হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে না এলে আমাকে ওরা মেরেই ফেলত।
মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবু তালেব বলেন, সরকারি জায়গায় রাস্তা হচ্ছিল। অথচ ওই সিপিএম কর্মী গায়ের জোরে বাধা দিচ্ছিলেন। পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিক।



