নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ‘ছলচাতুরী’ করেও শেষরক্ষা হল না। আবাসের তালিকা থেকে নাম বাদ গেল তৃণমূলের ‘দাপুটে’ পঞ্চায়েত সদস্য বাবলু বসাকের। একইসঙ্গে আবাস তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে ওই পঞ্চায়েত সদস্যের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মিলিয়ে ১২ জনের। আরও দু’টি নাম বাদ যেতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এ ঘটনায় জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের বালাপাড়ায় আলোড়ন ছড়িয়েছে।
Advertisement
আবাসের তালিকায় নাম থাকা বেশকিছু উপভোক্তার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়ে দু’দিন আগে বালাপাড়ায় পরিদর্শনে যান জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও মিহির কর্মকার। বাবলু বসাক সহ মোট ১৪ জন উপভোক্তার বাড়ি ঘুরে দেখেন তিনি। ঘটনাস্থলে তৃণমূলের ওই পঞ্চায়েত সদস্য উপস্থিত না থাকলেও, তাঁর বাড়ির দুয়ারে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সটান বিডিও প্রশ্ন করেন, গাড়িটি কার? পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রী রেণুকা বসাক স্বীকার করেন, গাড়িটি স্বামী কিনেছিলেন। কিন্তু তাঁর নামে রয়েছে। এরপরই বিডিও ওই গাড়ির ছবি তুলে নেন। পাকা দেওয়ালের বাড়িরও ছবি তোলেন। এরপর একে একে অন্য বাড়িগুলিতে গিয়ে বিডিও দেখতে পান, কোনও পরিবার দোতলা বাড়ি তুলছে, কোনও পরিবারের আবার টিনের চাল হলেও পাকা বাড়ি। অথচ তাঁদের নাম আবাস তালিকায় রয়েছে দেখে আধিকারিকদের প্রতিটি বাড়ির ছবি তুলে নিতে বলেন।
৩ তারিখ পর্যন্ত আবাসের খসড়া তালিকা নিয়ে জলপাইগুড়িতে অভিযোগ জানানোর শেষ সময়সীমা ছিল। বুধবার যে তালিকা পঞ্চায়েতে এসেছে, তাতে বাবলু বসাক সহ বালাপাড়ার বেশ কয়েকজনের নাম কাটা গিয়েছে বলে এদিন স্বীকার করেছেন পাহাড়পুরের পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূলের অনিতা রাউত।
বিডিও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমি পাহাড়পুরের বালাপাড়ায় ১৪টি বাড়ি পরিদর্শন করেছিলেন। কিছু গরমিল মেলায় ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সহ ১২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দু’জন উপভোক্তার নাম তালিকায় থাকবে কি না, আমরা সেটা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে খতিয়ে দেখছি। এদিন বাবলু বসাকের মোবাইল বন্ধ থাকলেও মঙ্গলবার তিনি দাবি করেছিলেন, আবাসের তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার জন্য নিজেই প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘যোগ্য’ না হওয়া সত্ত্বেও ওই পঞ্চায়েত সদস্য যেমন আবাসের তালিকায় নিজের নাম তুলেছিলেন, তেমনই পরিবারের একাধিক সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের নামও তুলে দিয়েছিলেন। বিডিও’র অভিযোগ, আমি যখন বালাপাড়ায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম, ভাঙা ঘর দেখিয়ে কয়েকজন উপভোক্তা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে তাঁরা হাতেনাতে ধরা পড়ে যান।
৩ তারিখ পর্যন্ত আবাসের খসড়া তালিকা নিয়ে জলপাইগুড়িতে অভিযোগ জানানোর শেষ সময়সীমা ছিল। বুধবার যে তালিকা পঞ্চায়েতে এসেছে, তাতে বাবলু বসাক সহ বালাপাড়ার বেশ কয়েকজনের নাম কাটা গিয়েছে বলে এদিন স্বীকার করেছেন পাহাড়পুরের পঞ্চায়েত প্রধান তৃণমূলের অনিতা রাউত।
বিডিও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমি পাহাড়পুরের বালাপাড়ায় ১৪টি বাড়ি পরিদর্শন করেছিলেন। কিছু গরমিল মেলায় ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সহ ১২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দু’জন উপভোক্তার নাম তালিকায় থাকবে কি না, আমরা সেটা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে খতিয়ে দেখছি। এদিন বাবলু বসাকের মোবাইল বন্ধ থাকলেও মঙ্গলবার তিনি দাবি করেছিলেন, আবাসের তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দেওয়ার জন্য নিজেই প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘যোগ্য’ না হওয়া সত্ত্বেও ওই পঞ্চায়েত সদস্য যেমন আবাসের তালিকায় নিজের নাম তুলেছিলেন, তেমনই পরিবারের একাধিক সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের নামও তুলে দিয়েছিলেন। বিডিও’র অভিযোগ, আমি যখন বালাপাড়ায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম, ভাঙা ঘর দেখিয়ে কয়েকজন উপভোক্তা বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে তাঁরা হাতেনাতে ধরা পড়ে যান।



