সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসা ব্লকের ত্রিলোকচন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের রাজকুসুম মৌজায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি নবকুমার সামন্তের আত্মীয়ের বিরুদ্ধে অন্যের জমি দখলের অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার কাঁকসা থানা ও বিএলএলআরও অফিসে এলাকার কিছু বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ করেন। নবকুমারবাবু অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, বিরোধীরা চক্রান্ত করে আমাদের হেনস্তা করতে চাইছে। ওঁরা কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি। অভিযোগকারীরা কখনও ওই জমি চাষ করেননি। আমাদের কাছে নথি রয়েছে। বিএলএলআরও মঞ্জু কাঞ্জিলাল বলেন, অভিযোগে পেয়েছি। তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
মঙ্গলবার রাজকুসুম গ্রামের বাসিন্দা গঙ্গাধর লোহার, মনা রুইদাসরা অভিযোগ করেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলের দিকে তাঁরা লক্ষ্য করেন, তাঁদের জমির আল ভেঙে সমতল করে দেওয়া হচ্ছে। প্রশ্ন করলে জানতে পারেন, নবকুমারবাবুর আত্মীয় প্রদীপ সামন্তের নির্দেশে এই কাজ হচ্ছে।
অভিযোগকারী অনিল বাগদি বলেন, আমরা ওই জমিতে অনেকদিন ধরে চাষ করেছি। ঋণ নেওয়া হবে বলে আমাদের থেকে জমির কাগজ নিয়েছিল। কিন্তু আমরা ঋণ পাইনি। আমাদের জমির পাট্টাও নিয়ে নিয়েছে।
গঙ্গাধর লোহার বলেন, বাবার পাট্টার জমি ব্লক সভাপতি নিজেদের পরিবারের নামে করেছে। জোরজুলুম করে জমি নিয়েছে। এখন আর্থমুভার দিয়ে জমি সমান করছে। বাধা দিতে গেলে বলছে, কাগজ দেখা। প্রায় আট বিঘা জমি ওরা দখল করেছে।
ওই গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার ১০ বাসিন্দা বাম আমলে পাট্টা পেয়েছিলেন। তাঁদের জমি ছিল না বলেই সরকার ওই পাট্টা দিয়েছিল। সেই জমিই এখন নবকুমার সামন্তের পরিবারের নামে হয়েছে। সামন্ত পরিবার ভূমিহীনও নয়। মাঠে সর্ষে লাগানো আছে। কিন্তু তাঁরা জমিতে নামতে পারছেন না।
সিপিএম নেতা সুজয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পাট্টাদারদের জানানো হয়েছে, ওই জমির কাগজ সামন্ত পরিবারের নামে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বামফ্রন্ট আমলে পাট্টা পেয়ে এই চাষিরা দীর্ঘদিন ধরে চাষ করছেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হল। সমস্যার সমাধান না হলে বড় আন্দোলনে নামা হবে।
অভিযোগকারী অনিল বাগদি বলেন, আমরা ওই জমিতে অনেকদিন ধরে চাষ করেছি। ঋণ নেওয়া হবে বলে আমাদের থেকে জমির কাগজ নিয়েছিল। কিন্তু আমরা ঋণ পাইনি। আমাদের জমির পাট্টাও নিয়ে নিয়েছে।
গঙ্গাধর লোহার বলেন, বাবার পাট্টার জমি ব্লক সভাপতি নিজেদের পরিবারের নামে করেছে। জোরজুলুম করে জমি নিয়েছে। এখন আর্থমুভার দিয়ে জমি সমান করছে। বাধা দিতে গেলে বলছে, কাগজ দেখা। প্রায় আট বিঘা জমি ওরা দখল করেছে।
ওই গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এলাকার ১০ বাসিন্দা বাম আমলে পাট্টা পেয়েছিলেন। তাঁদের জমি ছিল না বলেই সরকার ওই পাট্টা দিয়েছিল। সেই জমিই এখন নবকুমার সামন্তের পরিবারের নামে হয়েছে। সামন্ত পরিবার ভূমিহীনও নয়। মাঠে সর্ষে লাগানো আছে। কিন্তু তাঁরা জমিতে নামতে পারছেন না।
সিপিএম নেতা সুজয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পাট্টাদারদের জানানো হয়েছে, ওই জমির কাগজ সামন্ত পরিবারের নামে হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বামফ্রন্ট আমলে পাট্টা পেয়ে এই চাষিরা দীর্ঘদিন ধরে চাষ করছেন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হল। সমস্যার সমাধান না হলে বড় আন্দোলনে নামা হবে।



