Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তৃণমূল যুব নেতার বিরুদ্ধে নদীতে খননের অভিযোগ

তৃণমূল যুব নেতার বিরুদ্ধে নদীতে খননের অভিযোগ
  • ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের মহিষকুচি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়ডাক নদীতে অবৈধভাবে খনন করে বালি, পাথর তুলে পাচার করা হচ্ছে। এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে কোচবিহার জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের এক শীর্ষ নেতার। আর এনিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার গ্রামবাসীরা এনিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। 
Advertisement
গ্রামবাসীদের দাবি, অবৈধভাবে নদী খননের ফলে একদিকে যেমন নদীর গতিপথ পরিবর্তন হতে পারে। তেমনই ভাঙনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বালি, পাথর পাচারের কারবার চালানো হচ্ছে। অভিযোগকারী জ্বলেশ্বর বর্মন, সঞ্জয় ডাকুয়া প্রমুখ বলেন, ওই ব্যক্তির স্টক রয়্যালটি রয়েছে। অথচ সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কিছুদিন থেকে নদীবক্ষে যেভাবে খননকাজ চালাচ্ছেন তা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমরা এই অবৈধ কারবার বন্ধের দাবি জেলা প্রশাসনের কাছেও লিখিতভাবে জানিয়েছি। অবিলম্বে তা বন্ধ না হলে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ জানাব। আসলে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গোটা কারবার চালাচ্ছেন। 
যদিও অভিযুক্ত তথা জেলা টিএমওয়াইসি’র সহ সভাপতি মহেশ বর্মন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। তিনি বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। বৈধ নথি আমার কাছে আছে। আসলে আমাকে কলুষিত করার জন্যই এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। 
এ ব্যাপারে তুফানগঞ্জ মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুশান্ত সেনগুপ্ত বলেন, পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। আর এঘটনা নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে বিঁধেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির জেলা সহ সভাপতি উৎপল দাস বলেন, দিনের আলোয় নদী থেকে অবৈধভাবে বালি, পাথর পাচার হচ্ছে। আসলে তৃণমূল নেতা বলেই প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অবিলম্বে এসব বন্ধের দাবি জানাই। অন্যদিকে, তৃণমূলের কোচবিহার জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, দলে থেকে কেউ অবৈধ কাজ করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। পুরো বিষয়টি দলীয়স্তরে খতিয়ে দেখা হবে।  
সম্পর্কিত সংবাদ