সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: নানুরের বাসাপাড়ার তৃণমূলের সদস্যও তাঁর পরিবারকে মারধর করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। তৃণমূল সদস্য বাবলু শেখ শুক্রবার বোলপুর মহকুমা পুলিস আধিকারিকের কাছে সেই মর্মে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, তিনি ও তাঁর পরিবার দীর্ঘ দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বাড়িছাড়া ছিলেন। পাশাপাশি তাঁদের যাঁরা মারধর করেছেন, তাঁরাও এলাকায় তৃণমূল সমর্থক বলেই পরিচিত। যদিও এই বিষয়টিকে পারিবারিক বিবাদ ও তাকে কেন্দ্র করে অশান্তি বলেই দাবি করেছেন নানুরের তৃণমূল বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি। পাশাপাশি ওই তৃণমূল সদস্যকে মদ্যপ বলেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন তিনি।
Advertisement
নানুর থানার থুপসরা পঞ্চায়েতের বাসাপাড়ার তৃণমূল সদস্য বাবলু শেখের দাবি, গত দেড় মাস ধরে তিনি স্থানীয় কয়েকজনের অত্যাচারের কারণে বাড়িছাড়া ছিলেন। গতবুধবার রাতে তাঁরা ফিরে এলে শুক্রবার সকালে ২০-২৫ জন তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁদের মারধর করে। অভিযোগ, এরা সকলেই তৃণমূল দল করে। গুরুতরজখম অবস্থায় বাবলু শেখ ও তাঁর পরিবার বোলপুরে মহকুমা পুলিস আধিকারিকের দপ্তরে অভিযোগ জানান। তাঁদের সুস্থ অবস্থায় গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য পুলিস ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন। তবে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ নানুর ব্লক তৃণমূল। তাদের দাবি,গ্রাম্য বিবাদকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে শাসকদলের নামে কুৎসা রটানোর জন্য। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এলাকায় অশান্তি এড়াতে নানুর থানার তরফে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বাবলু শেখ বলেন, আমাদের যারা মারধর করেছে তারা সবাই একইদলের কর্মী। ওরা এলাকায় বেআইনি কাজ করতে চায়। আমি বাধা দেওয়ায় আমার উপর আক্রমণ করেছে। নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি বলেন, এটি সম্পূর্ণ গ্রামীণ ও পারিবারিক বিবাদের জের। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ওই তৃণমূল সদস্য মদ্যপ অবস্থায় থাকেন। সেই নিয়ে তাঁদের পরিবারে অশান্তি হয়েছে। দলের তরফেও তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সুযোগে বিরোধীরা তাঁকে ভুল বুঝিয়ে অপপ্রচার করতে চাইছে।
বাবলু শেখ বলেন, আমাদের যারা মারধর করেছে তারা সবাই একইদলের কর্মী। ওরা এলাকায় বেআইনি কাজ করতে চায়। আমি বাধা দেওয়ায় আমার উপর আক্রমণ করেছে। নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি বলেন, এটি সম্পূর্ণ গ্রামীণ ও পারিবারিক বিবাদের জের। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ওই তৃণমূল সদস্য মদ্যপ অবস্থায় থাকেন। সেই নিয়ে তাঁদের পরিবারে অশান্তি হয়েছে। দলের তরফেও তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সুযোগে বিরোধীরা তাঁকে ভুল বুঝিয়ে অপপ্রচার করতে চাইছে।



