নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নিজের ব্যবহৃত গাড়ি বিক্রির জন্য অনলাইন সাইটে বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন তমলুক পুরসভার ১৯নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল সভাপতি রতন কর। সেই বিজ্ঞাপন দেখে ফোনে দরদামও হয়। তারপর ক্যানিং থেকে তমলুক শহরের তালপুকুর রেলগেট এলাকায় ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে এসে চেক হাতে ধরিয়ে গাড়ি নিয়ে চলেও যায় একজন। চেকটি তমলুকের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে জমা করে রতনবাবু জানতে পারেন, চেকটি ভুয়ো। অভিনব প্রতারণার শিকার হয়ে ওই তৃণমূল নেতা ১৩ডিসেম্বর তমলুক থানায় এফআইআর করেছেন। ক্যানিংয়ের বাসিন্দা বলাই দাস ও ইকবাল হোসেন মণ্ডল নামে দু’জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, ওই প্রতারণার ঘটনায় এফআইআর হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, গত ২ডিসেম্বর রতনবাবু পুরনো গাড়ি বিক্রির জন্য অনলাইন সাইটে গাড়ির ছবি, মূল্য এবং যোগাযোগ নম্বর পোস্ট করেন। তাঁর স্ত্রী পেশায় চিকিৎসক ঝুমা সূত্রধরের নামে ওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ছিল। ওই বিজ্ঞাপন দেখে ক্যানিংয়ের বাসিন্দা বলাই দাস ওই তৃণমূল নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে। গাড়ির দরদাম ফাইনাল হয়। ইকবাল নামে একজন গাড়ি আনতে যাবে বলেও বলাই জানিয়েছিল। সেইমতো ২ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে আসে ইকবাল। রতনবাবুর হাতে চেক ধরানোর পর গাড়ির ডেলিভারি দেওয়া হয়।
গত ৩ডিসেম্বর তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি স্টেট ব্যাঙ্কের রেলওয়ে স্টেশন ব্রাঞ্চে গিয়ে ওই চেক জমা করেন। ৪ডিসেম্বর ব্যাঙ্ক থেকে মেসেজ পান। জানানো হয়, ওই চেকটি ভুয়ো। মেসেজ পেয়ে তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কে আসেন তিনি। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারেন, অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর অভিযুক্ত দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বাড়িতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেখানে ইকবালের কাছ থেকে চেক নেওয়া এবং গাড়ি ডেলিভারির ছবি উঠেছে। জলজ্যান্ত প্রমাণ থাকার পরও প্রতারণায় অভিযুক্তদের খোঁজ পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে তমলুক থানার দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনব এই প্রতারণায় তমলুক শহরে হইচই পড়ে গিয়েছে। রতনবাবু পেশায় ব্যবসায়ী। তালপুকুর রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় হলদিয়া-মেচেদা সড়কের ধারে অট্টালিকার মতো বাড়ি। তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে নিজের ওয়ার্ডের পাশাপাশি শহরের অনেকেই তাঁকে চেনেন। তিনি প্রতারিত হয়েছেন জানাজানি হতেই হইচই শুরু হয়েছে। ওই তৃণমূল নেতা বলেন, গাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে এভাবে প্রতারিত হব ভাবতে পারিনি। সবটাই পুলিসকে বলেছি। অভিযুক্ত দু’জনের ফোন নম্বর, আধার কার্ডের কপি পুলিসকে দিয়েছি। এখন ওই আধার কার্ড আদৌ আসল কিনা সেটা তদন্তসাপেক্ষ।
গত ৩ডিসেম্বর তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি স্টেট ব্যাঙ্কের রেলওয়ে স্টেশন ব্রাঞ্চে গিয়ে ওই চেক জমা করেন। ৪ডিসেম্বর ব্যাঙ্ক থেকে মেসেজ পান। জানানো হয়, ওই চেকটি ভুয়ো। মেসেজ পেয়ে তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কে আসেন তিনি। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারেন, অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর অভিযুক্ত দু’জনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বাড়িতে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেখানে ইকবালের কাছ থেকে চেক নেওয়া এবং গাড়ি ডেলিভারির ছবি উঠেছে। জলজ্যান্ত প্রমাণ থাকার পরও প্রতারণায় অভিযুক্তদের খোঁজ পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে তমলুক থানার দ্বারস্থ হয়েছেন।
অভিনব এই প্রতারণায় তমলুক শহরে হইচই পড়ে গিয়েছে। রতনবাবু পেশায় ব্যবসায়ী। তালপুকুর রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় হলদিয়া-মেচেদা সড়কের ধারে অট্টালিকার মতো বাড়ি। তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে নিজের ওয়ার্ডের পাশাপাশি শহরের অনেকেই তাঁকে চেনেন। তিনি প্রতারিত হয়েছেন জানাজানি হতেই হইচই শুরু হয়েছে। ওই তৃণমূল নেতা বলেন, গাড়ি বিক্রি করতে গিয়ে এভাবে প্রতারিত হব ভাবতে পারিনি। সবটাই পুলিসকে বলেছি। অভিযুক্ত দু’জনের ফোন নম্বর, আধার কার্ডের কপি পুলিসকে দিয়েছি। এখন ওই আধার কার্ড আদৌ আসল কিনা সেটা তদন্তসাপেক্ষ।



