সংবাদদাতা, ইসলামপুর: তৃণমূল নেতাদের ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসার অভিযোগ উঠল। ইসলামপুরের কমলাগাঁও সুজালি অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি আবদুল সাত্তারের ছবি ও নামের আগে এমএলএ ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অশালীন ছবি পোস্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, সুজালির তৃণমূল নেতা তথা দলের ব্লক কমিটির সহ সভাপতি কামালউদ্দিনেরও একই অভিযোগ। দুই নেতাই ইসলামপুর সাইবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
Advertisement
সাত্তার বলেন, এমএলএ আবদুল সাত্তার নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে চোপড়ার বিধায়কের বেশকিছু ছবি পোস্ট করা হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনার রাতে পুলিসের লাঠিচার্জে জখম হয়েছিলেন বিধায়ক। সেই সময়ের নাকে ব্যান্ডেজ করা ছবি পোস্ট করা হয়েছে। বেশকিছু অশালীন মন্তব্যও করা হয় পোস্টে। এতে ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে। সাইবার থানায় অভিযোগ করেছি।
কিছুদিন কামালউদ্দিনও একই সমস্যায় পড়েছেন। তাঁকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কখনও কামালউদ্দিনের সঙ্গে যুবতীর ছবি বসিয়ে অশালীন মন্তব্য করা হচ্ছে। আবার ভিডিও বা অডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনিও সাইবার থানায় অভিযোগ করেছে।
সাত্তার ও কামালউদ্দিনের অভিযোগ, দলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হকের নির্দেশে অনুগামীরা এসব করছে। রাজনৈতিক লড়াইয়ে না পেরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বদনাম করার চক্রান্ত হচ্ছে।
সুজালি অঞ্চলটি ইসলামপুর ব্লকের অন্তর্গত। অঞ্চলটি চোপড়া বিধানসভার অন্তর্গত। প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হক চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের অনুগামী ছিলেন। আবদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর পুলিস তাঁকে ধরতে বাড়িতে হানা দেয়। তখন থেকেই আবদুল ফেরার। ব্লক নেতৃত্ব আবদুল সাত্তারকে অঞ্চল সভাপতি করেছে। সাত্তার আবার ইসলামপুর গোষ্ঠীর ব্লক সভাপতি জাকির হুসেনের অনুগত। এর ফলে সুজালিতে দুই গোষ্ঠীতে বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। গোষ্ঠী কাজিয়ার ফলে একে অপররের কাঁধে দোষ চাপায়।
ইসলামপুর সাইবার থানার আধিকারিক জানিয়েছেন, মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
কিছুদিন কামালউদ্দিনও একই সমস্যায় পড়েছেন। তাঁকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কখনও কামালউদ্দিনের সঙ্গে যুবতীর ছবি বসিয়ে অশালীন মন্তব্য করা হচ্ছে। আবার ভিডিও বা অডিও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনিও সাইবার থানায় অভিযোগ করেছে।
সাত্তার ও কামালউদ্দিনের অভিযোগ, দলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হকের নির্দেশে অনুগামীরা এসব করছে। রাজনৈতিক লড়াইয়ে না পেরে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বদনাম করার চক্রান্ত হচ্ছে।
সুজালি অঞ্চলটি ইসলামপুর ব্লকের অন্তর্গত। অঞ্চলটি চোপড়া বিধানসভার অন্তর্গত। প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি আবদুল হক চোপড়ার বিধায়ক হামিদুল রহমানের অনুগামী ছিলেন। আবদুলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর পুলিস তাঁকে ধরতে বাড়িতে হানা দেয়। তখন থেকেই আবদুল ফেরার। ব্লক নেতৃত্ব আবদুল সাত্তারকে অঞ্চল সভাপতি করেছে। সাত্তার আবার ইসলামপুর গোষ্ঠীর ব্লক সভাপতি জাকির হুসেনের অনুগত। এর ফলে সুজালিতে দুই গোষ্ঠীতে বিভক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। গোষ্ঠী কাজিয়ার ফলে একে অপররের কাঁধে দোষ চাপায়।
ইসলামপুর সাইবার থানার আধিকারিক জানিয়েছেন, মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।



