নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: কাঁকরতলায় তৃণমূল কর্মী শেখ নিয়ামুলকে খুনের ঘটনায় আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। বীরভূম জেলা পুলিসের সাত সদস্যের বিশেষ টিম মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে ধৃতদের জেলায় নিয়ে আসা হচ্ছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম শেখ সাদ্দাম, শেখ লালন, শেখ নইমুল, শেখ ফিরদৌস, শেখ শরফুদ্দিন। সকলেই কাঁকরতলা থানা এলাকার বড়রার বাসিন্দা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হল। যদিও এই ঘটনায় জড়িত আরও অনেকে পলাতক রয়েছে। তাদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে। জেলার পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, বেঙ্গালুরুতে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। সকলকেই দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
Advertisement
দলীয় বৈঠক সেরে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কর্মীকে লোহার রড, পাথর দিয়ে এলোপাথাড়ি মেরে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় মৃতের পরিবারের তরফে মোট ২৭জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আরও কিছু ব্যক্তি জড়িত থাকার কথাও অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিস তদন্ত শুরু করে। শুরুতেই একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ধৃতকে আদালতে তোলা হলে চারদিন পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এই ঘটনায় নতুন করে আরও পাঁচজন পুলিসের জালে ধরা পড়েছে।
জেলা পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। এরপরই পুলিস পাঁচজনের হদিশ পায়। সেই মোতাবেক জেলা পুলিসের সাত সদস্যের একটি বিশেষ টিম সোমবার বেঙ্গালুরু পৌঁছে যায়। স্থানীয় পুলিসের সহযোগিতা নিয়ে জেলা পুলিসের বিশেষ টিম এদিন তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে এদিনই জেলার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি পলাতক অভিযুক্তদের খোঁজ ও তদন্তে গতি আনা হবে। সেইসঙ্গে খুনের ঘটনায় ব্যবহার করা অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে।
মৃতের দাদা শেখ এক্রামুল বলেন, পুলিসের উপর আমাদের আস্থা রয়েছে। আগে একজন গ্রেপ্তার হয়েছিল। আরও পাঁচজন গ্রেপ্তার হল। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিস যে তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত করছে তা বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তারির ঘটনায় স্পষ্ট। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই সামগ্রিক চিত্রটা স্পষ্ট হবে। দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, এখনও পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে আমরা চাই এই ঘটনায় জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
জেলা পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়। এরপরই পুলিস পাঁচজনের হদিশ পায়। সেই মোতাবেক জেলা পুলিসের সাত সদস্যের একটি বিশেষ টিম সোমবার বেঙ্গালুরু পৌঁছে যায়। স্থানীয় পুলিসের সহযোগিতা নিয়ে জেলা পুলিসের বিশেষ টিম এদিন তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে এদিনই জেলার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি পলাতক অভিযুক্তদের খোঁজ ও তদন্তে গতি আনা হবে। সেইসঙ্গে খুনের ঘটনায় ব্যবহার করা অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে।
মৃতের দাদা শেখ এক্রামুল বলেন, পুলিসের উপর আমাদের আস্থা রয়েছে। আগে একজন গ্রেপ্তার হয়েছিল। আরও পাঁচজন গ্রেপ্তার হল। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিস যে তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত করছে তা বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তারির ঘটনায় স্পষ্ট। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই সামগ্রিক চিত্রটা স্পষ্ট হবে। দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা বলেন, এখনও পর্যন্ত মোট ছ’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে আমরা চাই এই ঘটনায় জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে।



