নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই নিজের স্ত্রীকে কাজের বরাত। এই অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে মামলায় বৃহস্পতিবার জয়গাঁ ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (জেডিএ) এক ইঞ্জিনিয়ারের আগাম জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গেল আদালতে। এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের ডিভিশন বেঞ্চ।
Advertisement
কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর অদিতিশঙ্কর চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার জেডিএ’র একটি মামলার শুনানি ছিল। সংস্থার এক ইঞ্জিনিয়ার আগাম জামিনের আবেদন জানান আদালতের কাছে। কিন্তু সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের ডিভিশন বেঞ্চ ওই ইঞ্জিনিয়ারের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, জেডিএ’র ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল উপযুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই তিনি স্ত্রীকে কাজের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি টেন্ডার ছাড়াই ২০২৪ সালে একটি সংস্থাকে কোটি কোটি টাকার বরাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ২৮টি ফাইল লোপাটেরও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে উঠে এসেছে, টেন্ডার হওয়ার আগেই অনেক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। এই অনিয়মের বিষয়টি জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক আর বিমলাকে জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে। তারপরেই জেলাশাসক বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানান। নগরোন্নয়ন দপ্তর ওই ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করে। লিখিত অভিযোগ করা হয় পুলিসের কাছে। তদন্তে নামে পুলিস। কিন্তু অভিযোগ, ইঞ্জিনিয়ার পুলিসি তদন্ত এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সরকারি আইনজীবী বলেন, তিনি তদন্তের কাজেও কোনওরকম সহযোগিতা করছেন না।
জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদবাবু এদিন বলেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, জেডিএ’র ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল উপযুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই তিনি স্ত্রীকে কাজের বরাত পাইয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি টেন্ডার ছাড়াই ২০২৪ সালে একটি সংস্থাকে কোটি কোটি টাকার বরাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। এছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে ২৮টি ফাইল লোপাটেরও অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে উঠে এসেছে, টেন্ডার হওয়ার আগেই অনেক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। এই অনিয়মের বিষয়টি জেডিএ চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক আর বিমলাকে জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর জেলাশাসক ওই ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে। তারপরেই জেলাশাসক বিষয়টি রাজ্য সরকারকে জানান। নগরোন্নয়ন দপ্তর ওই ইঞ্জিনিয়ারকে সাসপেন্ড করে। লিখিত অভিযোগ করা হয় পুলিসের কাছে। তদন্তে নামে পুলিস। কিন্তু অভিযোগ, ইঞ্জিনিয়ার পুলিসি তদন্ত এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। সরকারি আইনজীবী বলেন, তিনি তদন্তের কাজেও কোনওরকম সহযোগিতা করছেন না।



