সংবাদদাতা, ডোমকল: বার বার খারাপ হয়ে যাওয়ায় ইসলামপুরের ভৈরব নদীর সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য লোড টেস্টিংয়ে উদ্যোগী হল পূর্ত দপ্তর। সেজন্য আগামী শনিবার থেকে অন্তত ৭২ ঘণ্টার জন্য সেতুতে সমস্ত ধরণের যান চলাচল পুরোপুরিভাবে বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র হেঁটে কিংবা সাইকেল চালিয়ে যাওয়া যাবে। লোড টেস্টিংয়ের তথ্য নির্ভুল করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। বছর শেষে ভৈরব নদের ওপর থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু বন্ধের সিদ্ধান্তে ভোগান্তির আশঙ্কা করছে অনেকেই। যদিও প্রশাসনের তরফে আগেভাগেই বিকল্প রুটের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, বহরমপুর-জলঙ্গি রাজ্য সড়কের ভৈরব নদের ওপর থাকা এই সেতুটি ৫০ বছরের বেশি পুরনো। ডোমকল মহকুমার সঙ্গে বহরমপুরের সংযোগকারী ওই সেতুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওই সেতু ওপর দিয়েই রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গি, ডোমকল ইসলামপুর সহ ডোমকল মহকুমার প্রচুর মানুষ বহরমপুর যাতায়াত করে। এছাড়াও নদীয়ার একাংশের বাসিন্দারাও বহরমপুরে আসার জন্য ওই সেতুর ওপর নির্ভরশীল। আর এই গুরুত্বপূর্ণ সেতু দিয়ে তিনদিন সমস্ত রকমের যান চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্তে ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বছর শেষে পূর্ত দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে অনেকেই ক্ষুব্ধ। ডোমকলের এক শিক্ষক বলেন, আমি রোজ বাইকে দৌলতাবাদ থেকে স্কুলে যাতায়াত করি। তিন দিন সেতু বন্ধ থাকলে ভীষণ সমস্যায় পড়তে হবে।
যদিও পূর্ত দপ্তরের কর্তাদের দাবি, ওই সেতু দীর্ঘদিনের পুরোনো। সেতুতে মাঝেমধ্যেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সেতুর স্বাস্থ্যের হাল জানার জন্য লোড টেস্টিং করানোর প্রয়োজন। সেতুতে লোড চাপিয়ে মিটারে ভাইব্রেশনের রিডিংয়ে নেওয়া। সেমসয় যানবাহন চলচল করলে রিডিংয়ের হেরফের হবে। তাই সমস্ত রকম যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
পিডব্লুডি’র বহরমপুর ডিভিশন-২ এর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুজয় দাস বলেন, বহুদিনের পুরনো এই সেতুর কোনও দিন লোড টেস্টিং করা হয়নি। কাজেই সেতুটি কত লোড নিতে সক্ষম, নতুন সেতুর প্রয়োজন রয়েছে কি না? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই লোড টেস্টিং করা হবে। আমরা সেতুতে লোড টেস্টিং করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। অনুমতি মেলায় এবারে কাজ শুরু হবে।
যদিও পূর্ত দপ্তরের কর্তাদের দাবি, ওই সেতু দীর্ঘদিনের পুরোনো। সেতুতে মাঝেমধ্যেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সেতুর স্বাস্থ্যের হাল জানার জন্য লোড টেস্টিং করানোর প্রয়োজন। সেতুতে লোড চাপিয়ে মিটারে ভাইব্রেশনের রিডিংয়ে নেওয়া। সেমসয় যানবাহন চলচল করলে রিডিংয়ের হেরফের হবে। তাই সমস্ত রকম যান চলাচল বন্ধ রাখা হবে।
পিডব্লুডি’র বহরমপুর ডিভিশন-২ এর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুজয় দাস বলেন, বহুদিনের পুরনো এই সেতুর কোনও দিন লোড টেস্টিং করা হয়নি। কাজেই সেতুটি কত লোড নিতে সক্ষম, নতুন সেতুর প্রয়োজন রয়েছে কি না? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই লোড টেস্টিং করা হবে। আমরা সেতুতে লোড টেস্টিং করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিলাম। অনুমতি মেলায় এবারে কাজ শুরু হবে।



