নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: তাম্রলিপ্ত হরিজন প্রাইমারি স্কুলে ভিতর থেকে তালা বন্ধ করে দুই সহ শিক্ষক ও শিক্ষিকাকে স্কুলে ঢুকতে দেননি প্রধান শিক্ষিকা। এই ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল তমলুক শহরে। ‘বর্তমান’ সংবাদপত্রে সেই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই ৭ জানুয়ারি বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি হাবিবুর রহমান স্কুল পরিদর্শন করেন। বিষয়টি নিয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি বেলা ১টায় জেলা প্রাইমারি বিদ্যালয় অফিসে জরুরি শুনানি হবে। শুনানিতে তিন শিক্ষক শিক্ষিকা ছাড়াও জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক), তমলুক উত্তর সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার উপস্থিত থাকবেন। উপস্থিত থাকবেন সংসদ সভাপতি হাবিবুর রহমান নিজেও। অবর পরিদর্শককে ওই স্কুল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। ওই বিদ্যালয়কে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে একসঙ্গে তিন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বদলি করা হতে পারে বলে হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন। কোনও অবস্থাতেই বিদ্যালয়ের এই শোচনীয় হাল মেনে নেওয়া হবে না বলে তাঁর বক্তব্য।
Advertisement
উল্লেখ্য, তমলুক পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তাম্রলিপ্ত হরিজন প্রাইমারি স্কুলে ৩৭ জন পড়ুয়া ছিল। কিন্তু, প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মহেশের সঙ্গে দুই সহ শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংঘাতে স্কুলে অচলাবস্থা তৈরি হয়। তার জেরে একসঙ্গে ৩৩ জন পড়ুয়া টিসি নিয়ে অন্য স্কুলে চলে গিয়েছে। স্কুলের এই হালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। এখন স্কুলে মিড ডে মিল হয় না।
গত বছর আগস্ট মাসে প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মহেশ নন্দকুমারের একটি স্কুল থেকে তাম্রলিপ্ত হরিজন প্রাইমারি স্কুলে বদলি হয়ে আসেন। তিনি আসার পর থেকেই দুই সহ শিক্ষক ও শিক্ষিকা অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ও প্রিয়াংকা অধিকারীর সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। ক্রমে বিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিবেশ নষ্ট হতে থাকে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের অন্য স্কুলে নিয়ে যান। তারপরও স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে ঝামেলা বন্ধ হয়নি। অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তিন দফায় প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ করেছেন। জেলা প্রাইমারি বিদ্যালয় সংসদ অফিসে তিনজনকে নিয়ে একদফা শুনানি হয়েছে। কিন্তু, ছবিটা বদলায়নি।
গোটা বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসছে জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল। একটা হেস্তনেস্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি জরুরি শুনানি ডাকা হয়েছে। তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকেই অন্যত্র বদলি করা হতে পারে বলে তাঁদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে অন্য দুই শিক্ষিকার ইগোর লড়াইয়ে স্কুলটা শেষ হয়ে গেল। ওই স্কুল বন্ধ হওয়ার পথে। এরজন্য তিনজনই দায়ী। ওই বিদ্যালয়কে আগের অবস্থায় ফেরানোর জন্য ওই তিনজনকে এখান থেকে সরানো জরুরি। জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের সভাপতি বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। ১৪ তারিখ আর্জেন্ট হেয়ারিং ডাকা হয়েছে। স্কুলকে আগের অবস্থায় ফেরানোর জন্য দরকারে তিনজনকে অন্যত্র সরানো হবে।
গত বছর আগস্ট মাসে প্রধান শিক্ষিকা বর্ণালী মহেশ নন্দকুমারের একটি স্কুল থেকে তাম্রলিপ্ত হরিজন প্রাইমারি স্কুলে বদলি হয়ে আসেন। তিনি আসার পর থেকেই দুই সহ শিক্ষক ও শিক্ষিকা অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ও প্রিয়াংকা অধিকারীর সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়। ক্রমে বিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের পরিবেশ নষ্ট হতে থাকে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের অন্য স্কুলে নিয়ে যান। তারপরও স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে ঝামেলা বন্ধ হয়নি। অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তিন দফায় প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ করেছেন। জেলা প্রাইমারি বিদ্যালয় সংসদ অফিসে তিনজনকে নিয়ে একদফা শুনানি হয়েছে। কিন্তু, ছবিটা বদলায়নি।
গোটা বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসছে জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল। একটা হেস্তনেস্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি জরুরি শুনানি ডাকা হয়েছে। তিনজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকেই অন্যত্র বদলি করা হতে পারে বলে তাঁদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে অন্য দুই শিক্ষিকার ইগোর লড়াইয়ে স্কুলটা শেষ হয়ে গেল। ওই স্কুল বন্ধ হওয়ার পথে। এরজন্য তিনজনই দায়ী। ওই বিদ্যালয়কে আগের অবস্থায় ফেরানোর জন্য ওই তিনজনকে এখান থেকে সরানো জরুরি। জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের সভাপতি বলেন, স্কুলের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। ১৪ তারিখ আর্জেন্ট হেয়ারিং ডাকা হয়েছে। স্কুলকে আগের অবস্থায় ফেরানোর জন্য দরকারে তিনজনকে অন্যত্র সরানো হবে।



