Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তিন মাস ধরে অকেজো টিউবওয়েল সাঁকরাইলের স্কুলে জলের তীব্র সঙ্কট

তিন মাস ধরে অকেজো টিউবওয়েল সাঁকরাইলের স্কুলে জলের তীব্র সঙ্কট
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: তিনমাস ধরে স্কুলের টিউবওয়েল ভেঙে পড়ে আছে। মিড-ডে মিলের রান্নার জল বাইরে থেকে আনতে হচ্ছে। বড় জারে জমিয়ে রাখা জল পড়ুয়াদের খেতে হচ্ছে। কখনও কখনও সেই জল দূষিত হয়ে পড়ছে বলেও অভিযোগ। সাঁকরাইল ব্লকের শিমুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জলসঙ্কটে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। উদ্বিগ্ন শিক্ষকরাও। ডিআই সৌমেনচন্দ্র লাহা বলেন, তাড়াতাড়ি বিষয়টি দেখা হচ্ছে। 
Advertisement
এখন ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৬৪। প্রাক-প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি অবধি পঠনপাঠন হয়। পার্শ্বশিক্ষক সহ চারজন শিক্ষক রয়েছেন। কিন্তু পানীয় জলের অভাবে পড়ুয়ারা চরম সমস্যায় পড়েছে। বাইরে থেকে জল এনে কোনওরকমে মিড-ডে মিল রান্না হচ্ছে। খুদে পড়ুয়াদের জলতেষ্টা পেলে শিক্ষকরা আশপাশের বাড়ি থেকে জল আনতে ছুটছেন। স্কুলের তরফে শিক্ষাদপ্তর ও ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনমাস পেরিয়ে গেলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক জগৎপতি হেমব্রম বলেন, আগস্ট মাস থেকে স্কুলের একমাত্র টিউবওয়েল ভেঙে পড়ে আছে। এত পড়ুয়ার জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল জোগাড় করে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাইরে থেকে আনা জল বড় জারে জমিয়ে রাখা হচ্ছে। যদিও সেটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ঠিক নয়। ব্লক প্রশাসন ও শিক্ষাদপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
অভিভাবক কার্তিকচন্দ্র পাল বলেন, আমার নাতনি ওই স্কুলে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। বড় প্লাস্টিকের জারে জমানো জল ছোট ছেলেমেয়েদের দেওয়া হচ্ছে। জলসঙ্কট মেটাতে শিক্ষকদের বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু লাভ হয়নি।
অভিভাবক আশিস বারিক বলেন, আমার ছেলে ওই স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তিনমাস পেরিয়ে গেলেও স্কুলের একটামাত্র টিউবওয়েল সারানো গেল না। কোনও ছেলেমেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার দায় স্কুল ও প্রশাসনকে নিতে হবে।
স্থানীয় পঞ্চায়েত উপপ্রধান পঞ্চানন দাস বলেন, পঞ্চায়েতের তরফে স্কুলের ভিতর একটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানো হবে। তার টেন্ডার হয়ে ডিপিআর জমা দেওয়া হয়েছে। স্কুলে একটি জলের ট্যাঙ্ক তৈরি করে দেওয়া হবে। কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু হয়ে যাবে।
সম্পর্কিত সংবাদ