নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: তিন দশকের খরা কাটিয়ে রনজি দলে জলপাইগুড়ির ছেলে ঋষভ বিবেক। তাঁকে ঘিরে তিস্তাপাড়ের শহরে এখন খুশির আবহ। বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কর্ণাটককে কতটা বেগ দিতে পারেন পেসার বোলার ঋষভ, সেদিকেই তাকিয়ে জলপাইগুড়ির ক্রিকেটপ্রেমীরা।
Advertisement
বাবা সুনীল কুমার অবসরপ্রাপ্ত বিএসএফ আধিকারিক। বাড়ি জলপাইগুড়ির রানিনগরে। শহরের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন ঋষভ। তারপর জলপাইগুড়ি পলিটেকনিক থেকে পাশ করে এখন পড়ছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী সভাপতি গৌতম দাস বলেন, ২০১৪ সাল থেকে শহরের রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেটকোচিং ক্যাম্পে অনুশীলন করছেন ঋষভ। তিন দশক পর জলপাইগুড়ি থেকে কোনও ছেলে রনজিতে সুযোগ পেল। তাঁর জন্য জলপাইগুড়িবাসী হিসেবে আমরা গর্বিত। ঋষভ ফিরলে আমরা ওকে সংবর্ধনা দেব।
রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পে ঋষভের কোচ পার্থ মণ্ডল বলেন, গতবার ঋষভ অনুর্ধ্ব ২০বাংলা দলে খেলেছিল। এবার সিনিয়র বাংলা দলে। ও খুব ভালো পারফরম্যান্স করবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।
জলপাইগুড়ির রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেটকোচিং ক্যাম্পের পাশাপাশি ঋষভ কলকাতায় অনুশীলন করতেন। এখন তিনি কলকাতায় তপন মেমোরিয়ালের হয়ে খেলেন। আগে খেলতেন রাজস্থান ক্লাবে।
জলপাইগুড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যকরী সভাপতি গৌতম দাস বলেন, ২০১৪ সাল থেকে শহরের রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেটকোচিং ক্যাম্পে অনুশীলন করছেন ঋষভ। তিন দশক পর জলপাইগুড়ি থেকে কোনও ছেলে রনজিতে সুযোগ পেল। তাঁর জন্য জলপাইগুড়িবাসী হিসেবে আমরা গর্বিত। ঋষভ ফিরলে আমরা ওকে সংবর্ধনা দেব।
রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্পে ঋষভের কোচ পার্থ মণ্ডল বলেন, গতবার ঋষভ অনুর্ধ্ব ২০বাংলা দলে খেলেছিল। এবার সিনিয়র বাংলা দলে। ও খুব ভালো পারফরম্যান্স করবে বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।
জলপাইগুড়ির রায়কতপাড়া স্পোটিং অ্যাসোসিয়েশনের ক্রিকেটকোচিং ক্যাম্পের পাশাপাশি ঋষভ কলকাতায় অনুশীলন করতেন। এখন তিনি কলকাতায় তপন মেমোরিয়ালের হয়ে খেলেন। আগে খেলতেন রাজস্থান ক্লাবে।



