সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ময়নাগুড়ির জোরপাকড়ি আব্দুল গনি হাইস্কুলে শুরু হয় লোকসংস্কৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতি এবং যাত্রা উৎসব। রবিবার তিনদিনের এই উৎসব সমাপ্ত হল। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। গত শুক্রবার অনুষ্ঠানের সূচনা করেছিলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ এবং আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী বুলুচিক বড়াইক। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, অতিরিক্ত পুলিস সুপার সমীর আহমেদ, জেলা তথ্য ও সাংস্কৃতি আধিকারিক স্বরূপ বিশ্বাস, ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুমুদরঞ্জন রায়। তিনদিনের এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যই ছিল লোকসংস্কৃতির প্রসার। প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন শিল্পী ভাওয়াইয়া, বৈরাতি, আদিবাসী নৃত্য, বাউল, চোর-চুন্নি সহ নানা অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করেন। ৭টার পর থেকে এই তিনদিন বসেছিল যাত্রাপালা। ১৩ ডিসেম্বর ধূপগুড়ির ঝুমুর দল যাত্রাপালা করে যায়। ১৪ তারিখ কলকাতার যাত্রাদল এসেছিল। রবিবার সমাপ্তির দিনে আলিপুরদুয়ারের যাত্রাদল যাত্রাপালা করে। তিনদিনের এই অনুষ্ঠানে জলপাইগুড়ি জেলার ৩০০ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেছিলেন।
Advertisement
জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক স্বরূপ বিশ্বাস বলেন, তিনদিনে চার হাজারের উপর দর্শক এসেছিলেন অনুষ্ঠানে। বাধ্য হয়ে আমাদের আলাদাভাবে তাঁদের বসার ব্যবস্থা করতে হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য শিল্পীদের মঞ্চে অনুষ্ঠান করার সুযোগ দেওয়া। শুক্রবার থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। রবিবার শেষ দিনও ভালো ভিড় হয়েছে।



