সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: প্রায় তিন বছর হতে চলল খড়্গপুর পুরসভার বোর্ড গঠন হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তৈরি হল না স্ট্যান্ডিং কমিটি। তৈরি হয়নি অ্যাকাউন্টস কমিটিও। দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সিআইসি পদের দায়িত্বও দেওয়া হয়নি কোনও কাউন্সিলারকে। এনিয়ে বিরোধী সহ শাসক দলের কাউন্সিলারদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান তৈমুর আলি খান বলেন, কেন কমিটি হয়নি তা চেয়ারপার্সন বলতে পারবেন। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুর আইন মোতাবেক যারা বোর্ড গঠন করবে, সেই দলের কাউন্সিলারদের বিভিন্ন সিআইসির দায়িত্ব দিতে হয়। বিরোধীদের নিয়ে পানীয় জল, আবর্জনা, পূর্ত সহ বিভিন্ন দপ্তরের স্ট্যান্ডিং কমিটি গঠন করার কথা। পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে এই কমিটির অনেক ভূমিকা থাকে। অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করতে হয় বিরোধী দলের কাউন্সিলারকে। অভিযোগ, এই সব কোনও নিয়মই খড়্গপুর পুরসভায় মানা হচ্ছে না। চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ অবশ্য বলেন, বিরোধীরা নাম না দেওয়ায় স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলি গঠন করা যায়নি।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চ মাসে তৃণমূল পুরবোর্ড গঠন করে। চেয়ারম্যান হন প্রদীপ সরকার। কিন্তু শাসক দলের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে ১০ মাসের মাথায় প্রদীপবাবুকে সরে যেতে হয়। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে চেয়ারম্যানে হন প্রদীপবাবুর বোর্ডের পানীয় জলের সিআইসি সদস্য কল্যাণী ঘোষ। পুরসভা সূত্রে খবর, একবার বোর্ড মিটিংয়ে স্ট্যান্ডিং ও অ্যাকাউন্টস কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু কমিটি গঠন হয়নি। কল্যাণী ঘোষের জায়গায় পানীয় জলের সিআইসিও করা হয়নি কাউকে। এভাবেই পুরবোর্ড চলছে।
পুরসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের মধু কামি বলেন, কমিটি গঠন না করে অনৈতিকভাবে পুরবোর্ড চলছে। আইনত স্ট্যান্ডিং কমিটির মাধ্যমে সব কাজ করতে হয়। কমিটি গঠনের জন্য আমাদের কাছে নাম চাওয়া হয়েছিল। আমরা বিরোধীরা সবাই মিলে আলোচনা করে নাম ঠিক করে চেয়ারপার্সনকে তালিকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু কমিটি গঠন হয়নি। আসলে ওরা কমিটি গঠন করতে চায় না। বিরোধীদের অন্ধকারে রেখেই বোর্ড চলছে। বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, আইনত কমিটি গঠন করার কথা। আমরা আমাদের নামের তালিকা অনেকদিন আগে জমা দিয়ে দিয়েছি। পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিটির অনেক ভূমিকা থাকে। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে কমিটি গঠন করা হয়নি। কমিটি গঠন না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলারও। তাঁরা এর জন্য মূলত চেয়ারপার্সনকেই দায়ী করেছেন। তাঁদের মতে, কমিটি গঠন না করে দলের কাউন্সিলারদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
পুরসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের মধু কামি বলেন, কমিটি গঠন না করে অনৈতিকভাবে পুরবোর্ড চলছে। আইনত স্ট্যান্ডিং কমিটির মাধ্যমে সব কাজ করতে হয়। কমিটি গঠনের জন্য আমাদের কাছে নাম চাওয়া হয়েছিল। আমরা বিরোধীরা সবাই মিলে আলোচনা করে নাম ঠিক করে চেয়ারপার্সনকে তালিকা জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু কমিটি গঠন হয়নি। আসলে ওরা কমিটি গঠন করতে চায় না। বিরোধীদের অন্ধকারে রেখেই বোর্ড চলছে। বিজেপি কাউন্সিলার অনুশ্রী বেহেরা বলেন, আইনত কমিটি গঠন করার কথা। আমরা আমাদের নামের তালিকা অনেকদিন আগে জমা দিয়ে দিয়েছি। পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিটির অনেক ভূমিকা থাকে। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে কমিটি গঠন করা হয়নি। কমিটি গঠন না হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলারও। তাঁরা এর জন্য মূলত চেয়ারপার্সনকেই দায়ী করেছেন। তাঁদের মতে, কমিটি গঠন না করে দলের কাউন্সিলারদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।



