সংবাদদাতা, কাটোয়া: কয়েক মাস আগেও টমেটোর দাম ছিল চড়া। আর এখন তা জমিতেই গড়াগড়ি খাচ্ছে। কেনার লোকই নেই। পূর্বস্থলীতে টমেটোর দাম নামল কেজি প্রতি এক-দু’টাকাতে! ভিনরাজ্যের পাইকারী ব্যবসায়ীরা না আসায় হতাশ চাষিরা।
Advertisement
রাজ্যের পাশাপাশি বেঙ্গালুরু থেকেও টমেটো রাজ্যে আমদানি হয়। সেই শহরেই টমেটো বিপুল পরিমাণে চাষ হয়েছে। সেখানেও এবার এক টাকাতেই টমেটো বিক্রি হচ্ছে। রাস্তার ধারে ছোট হাতি গাড়ি করে টমেটো বিক্রি হচ্ছে। তবুও কেনার লোক নেই। এ রাজ্যেও একই অবস্থা। ফুলকপির মতই টমেটোর দাম নেমে গিয়েছে। জমিতে ফেলে রাখা টমেটো ছাগলে খাচ্ছে। কৃষকদের দাবি, এখন আর খরচ করে তুলে লাভ নেই।
কয়েক মাস আগেও যে টমেটো ৩০০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হয়েছিল, সেই টমেটো এখন কার্যত বাজারে গড়াগড়ি খাচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, যে পরিমাণে আমদানি হয়েছে, তা কেনার লোক নেই। তাই আমরাও চাষিদের কাছ থেকে টমেটো কিনতে পারছি না। পূর্বস্থলীর পারুলিয়া বাজারের আড়তদার মদন সাহা বলেন, এবারে শীতে সব সব্জির দামই নেমে গিয়েছে। কারণ বাজারে সব্জির ভালো আমদানি ছিল। তাই দাম নেমে গিয়েছে। বিহার, ঝাড়খণ্ডের পাইকারী ব্যবসায়ীরা এবার সেভাীব সব্জি কিনতে আসেননি। পূর্ব বর্ধমানের জেলার সব্জি ভাণ্ডার বলা হয় পূর্বস্থলী-২ ব্লককে। বিঘার পর বিঘা জমিতে সারা বছরই সব্জি চাষ করে থাকেন চাষিরা। এলাকায় পাঁচটি বড় পাইকারি সব্জি আড়ত আছে। এরমধ্যে সব থেকে বড় পাইকারি বাজারটি হল কালেখাঁতলায়। এছাড়া পারুলিয়া, ফলেয়া, জামালপুর মোড়, বিশ্বরম্ভাতেও পাইকারি সব্জি বাজার আছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার সব্জি সবই বিক্রি হয় এখানকার বাজারগুলি থেকে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার সব্জি ব্যবসায়ীরা পূর্বস্থলীর আড়ত থেকে সব্জি সংগ্রহ করে থাকেন। প্রতি বছর একটা সময় টমেটোর দাম কমে যায়। তবে এতটা নীচে কখনও নামে না। প্রতিদিন ভোর হতেই বিভিন্ন এলাকার চাষিরা ভুটভুটি ভ্যান, সাইকেলে করে পূর্বস্থলীর বাজারগুলিতে আনাজ নিয়ে আসেন। চাষিদের থেকে তা কিনে নেন আড়তদাররা। তারপরে ভিন রাজ্য সহ বিভিন্ন এলাকার সব্জি ব্যবসায়ীরা আসেন। সেখান থেকে সব্জি সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যান। এবার টমেটোর ক্ষেত্রে কাটোয়া, গুসকরা, আউশগ্রাম সব জায়গাতেই একই চিত্র।দাঁইহাট শহরের চাষি নিতাই বৈরাগ্য বলেন, চাষে ভালো টাকা খরচ হয়েছিল। সব পরিশ্রম জলে গেল। এখন জমিতেই পড়ে রয়েছে টমেটো। তুলতে গেলেও খরচ হবে। বিশ্বরম্ভার চাষি অক্ষয় হালদার বলেন, জমিতেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে টমেটো। খুব ক্ষতি হয়ে গেল। -নিজস্ব চিত্র
কয়েক মাস আগেও যে টমেটো ৩০০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হয়েছিল, সেই টমেটো এখন কার্যত বাজারে গড়াগড়ি খাচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, যে পরিমাণে আমদানি হয়েছে, তা কেনার লোক নেই। তাই আমরাও চাষিদের কাছ থেকে টমেটো কিনতে পারছি না। পূর্বস্থলীর পারুলিয়া বাজারের আড়তদার মদন সাহা বলেন, এবারে শীতে সব সব্জির দামই নেমে গিয়েছে। কারণ বাজারে সব্জির ভালো আমদানি ছিল। তাই দাম নেমে গিয়েছে। বিহার, ঝাড়খণ্ডের পাইকারী ব্যবসায়ীরা এবার সেভাীব সব্জি কিনতে আসেননি। পূর্ব বর্ধমানের জেলার সব্জি ভাণ্ডার বলা হয় পূর্বস্থলী-২ ব্লককে। বিঘার পর বিঘা জমিতে সারা বছরই সব্জি চাষ করে থাকেন চাষিরা। এলাকায় পাঁচটি বড় পাইকারি সব্জি আড়ত আছে। এরমধ্যে সব থেকে বড় পাইকারি বাজারটি হল কালেখাঁতলায়। এছাড়া পারুলিয়া, ফলেয়া, জামালপুর মোড়, বিশ্বরম্ভাতেও পাইকারি সব্জি বাজার আছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার সব্জি সবই বিক্রি হয় এখানকার বাজারগুলি থেকে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার সব্জি ব্যবসায়ীরা পূর্বস্থলীর আড়ত থেকে সব্জি সংগ্রহ করে থাকেন। প্রতি বছর একটা সময় টমেটোর দাম কমে যায়। তবে এতটা নীচে কখনও নামে না। প্রতিদিন ভোর হতেই বিভিন্ন এলাকার চাষিরা ভুটভুটি ভ্যান, সাইকেলে করে পূর্বস্থলীর বাজারগুলিতে আনাজ নিয়ে আসেন। চাষিদের থেকে তা কিনে নেন আড়তদাররা। তারপরে ভিন রাজ্য সহ বিভিন্ন এলাকার সব্জি ব্যবসায়ীরা আসেন। সেখান থেকে সব্জি সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যান। এবার টমেটোর ক্ষেত্রে কাটোয়া, গুসকরা, আউশগ্রাম সব জায়গাতেই একই চিত্র।দাঁইহাট শহরের চাষি নিতাই বৈরাগ্য বলেন, চাষে ভালো টাকা খরচ হয়েছিল। সব পরিশ্রম জলে গেল। এখন জমিতেই পড়ে রয়েছে টমেটো। তুলতে গেলেও খরচ হবে। বিশ্বরম্ভার চাষি অক্ষয় হালদার বলেন, জমিতেই পড়ে নষ্ট হচ্ছে টমেটো। খুব ক্ষতি হয়ে গেল। -নিজস্ব চিত্র



