নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: শোকজের জবাব দিলেন মিড-ডে মিলে অনিয়মে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা। শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের ডুমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাখী কাপড়ি মণ্ডলকে পিএম পোষণ প্রকল্পের জেলা আধিকারিক সৌরভ মিত্র শোকজ করেছিলেন। প্রধান শিক্ষিকা পুরো ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন।
Advertisement
অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুলে উপস্থিত পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ দেখিয়ে মিড-ডে মিলের অফিসে মেসেজ পাঠানো হতো। এভাবে মেসেজ পাঠিয়ে মিড-ডে মিলের টাকা নয়ছয় করা হতো। স্কুলে মিড-ডে মিলের মানও খুব নিম্নমানের। মাসে চারবার মিড-ডে মিলে ডিম দেওয়ার কথা। কিন্তু, ওই স্কুলে মাসে একবার ডিম দেওয়া হতো। তরকারির মান খুব খারাপ ছিল।
ডিস্ট্রিক্ট পিএম পোষণ অফিসার সম্প্রতি আচমকা স্কুলটি পরিদর্শন করেন। এরপরই প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ করা হয়েছিল। সৌরভবাবু বলেন, ওই প্রধান শিক্ষিকা শোকজের জবাব দিয়েছেন।
১২ নভেম্বর থেকে ওই প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে যেতে পারছেন না। তিনি ছুটিতে রয়েছেন। অভিভাবক ও স্থানীয়রা তাঁর বদলির দাবিতে অনড়। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে রাখীদেবী অন্য স্কুলে বদলি হওয়ার চেষ্টা করছেন। এজন্য তমলুক গ্রামীণ চক্রের এসআই অফিসেও হাজির হয়েছিলেন। যদিও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তাঁকে অন্য চক্রের অধীনে কোনও স্কুলে বদলির আবেদন জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
ডিস্ট্রিক্ট পিএম পোষণ অফিসার সম্প্রতি আচমকা স্কুলটি পরিদর্শন করেন। এরপরই প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ করা হয়েছিল। সৌরভবাবু বলেন, ওই প্রধান শিক্ষিকা শোকজের জবাব দিয়েছেন।
১২ নভেম্বর থেকে ওই প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে যেতে পারছেন না। তিনি ছুটিতে রয়েছেন। অভিভাবক ও স্থানীয়রা তাঁর বদলির দাবিতে অনড়। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে রাখীদেবী অন্য স্কুলে বদলি হওয়ার চেষ্টা করছেন। এজন্য তমলুক গ্রামীণ চক্রের এসআই অফিসেও হাজির হয়েছিলেন। যদিও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তাঁকে অন্য চক্রের অধীনে কোনও স্কুলে বদলির আবেদন জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন।



