নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: শনিবার ভোরে তমলুক থানার গৌরাঙ্গপুরে মর্মান্তিক গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন দেবাশিস দাস(৪০), কমলা পাল(৬৫) ও সুদীপ মাইতি(৫২)। কমলাদেবী সম্পর্কে দেবাশিসের শাশুড়ি। সুদীপ গাড়ির চালক ছিলেন। দুর্ঘটনায় দেবাশিসের স্ত্রী মমতা দাস জখম হন। তিনি তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দেবাশিসের বাড়ি মহিষাদল থানার গোপালপুর গ্রামে। কমলাদেবীর বাড়ি চণ্ডীপুর থানার এড়াশালে। মৃত ড্রাইভারের বাড়ি নন্দীগ্রাম-২ব্লকের দক্ষিণ খোদামবাড়ি গ্রামে। দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।
Advertisement
৬৫ বছর বয়সি কমলাদেবীর চোয়ালের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। সম্প্রতি অপারেশন হয়। শনিবার তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চেকআপের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে তাঁর মেয়ে ও জামাই রওনা দিয়েছিলেন। প্রায় ২০বছর ধরে সুদীপবাবু নিজের মারুতি ভ্যানে রোগী কলকাতা, ওড়িশার কটক সহ নানা জায়গায় নিয়ে যান। সেইমতো কমলাদেবীকে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর পরিবার সুদীপবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। এদিন ভোর ৩টা ৪৫মিনিট নাগাদ সুদীপবাবু খোদামবাড়ি গ্রামে বাড়ি থেকে গাড়ি নিয়ে বের হন। এড়াশালে কমলাদেবী গাড়িতে ওঠেন। গোপালপুরে দেবাশিসবাবু ও তাঁর স্ত্রী মমতা দাসকে গাড়িতে তোলার পর চালক কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা ৪৫মিনিট নাগাদ তমলুক থানার গৌরাঙ্গপুর এলাকায় ৪১নম্বর জাতীয় সড়কে ওই মারুতি গাড়ির চাকা ফেটে যায়। দ্রুত গতিতে থাকা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাঁপাশে দাঁড়িয়ে থাকা তেলের ট্যাঙ্কারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। বিকট আওয়াজে আশপাশের এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসেন। তমলুক থানার পুলিসও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। খেলনা গাড়ির মতো রোগী ও তাঁর পরিজনভর্তি ওই প্রাইভেট গাড়ি দুমড়েমুচড়ে যায়। ট্যাঙ্কারের পিছনে বেরিয়ে থাকা লোহা প্রাইভেট গাড়ির চালক সুদীপের গলায় আটকে যায়। ওই অবস্থায় তাঁর দেহ বের করতে পুলিসের কালঘাম ছুটে যায়।
দুমড়ে মুচড়ে থাকা গাড়ির ভিতর থেকে চারজনকে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মমতা দাসের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনায় মা ও স্বামীকে হারিয়ে ওই মহিলা হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দেবাশিস হলদিয়া আইওসি কারখানায় ঠিকাদারের অধীনে কাজ করতেন। তাঁদের ১০বছরের এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যু হওয়ায় মমতাদেবী অথৈ জলে পড়েছেন।
দেবাশিসের ভাই আশিস দাস বলেন, দাদা এবং বউদি এদিন কমলাদেবীকে নিয়ে কলকাতায় চেকআপ করাতে যাচ্ছিলেন। কলকাতা যাওয়ার পথে তমলুকে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই দাদার মৃত্যু হয়। বউদির চোখে মুখে এখনও ভয় ও আতঙ্কের ছবি। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এর তদন্ত হওয়া উচিত। তমলুক থানার আইসি সুভষচন্দ্র ঘোষ বলেন, প্রাইভেট গাড়ির চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্যাস ট্যাঙ্কারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন একজন। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা ৪৫মিনিট নাগাদ তমলুক থানার গৌরাঙ্গপুর এলাকায় ৪১নম্বর জাতীয় সড়কে ওই মারুতি গাড়ির চাকা ফেটে যায়। দ্রুত গতিতে থাকা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাঁপাশে দাঁড়িয়ে থাকা তেলের ট্যাঙ্কারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারে। বিকট আওয়াজে আশপাশের এলাকা থেকে লোকজন ছুটে আসেন। তমলুক থানার পুলিসও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। খেলনা গাড়ির মতো রোগী ও তাঁর পরিজনভর্তি ওই প্রাইভেট গাড়ি দুমড়েমুচড়ে যায়। ট্যাঙ্কারের পিছনে বেরিয়ে থাকা লোহা প্রাইভেট গাড়ির চালক সুদীপের গলায় আটকে যায়। ওই অবস্থায় তাঁর দেহ বের করতে পুলিসের কালঘাম ছুটে যায়।
দুমড়ে মুচড়ে থাকা গাড়ির ভিতর থেকে চারজনকে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মমতা দাসের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনায় মা ও স্বামীকে হারিয়ে ওই মহিলা হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দেবাশিস হলদিয়া আইওসি কারখানায় ঠিকাদারের অধীনে কাজ করতেন। তাঁদের ১০বছরের এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যু হওয়ায় মমতাদেবী অথৈ জলে পড়েছেন।
দেবাশিসের ভাই আশিস দাস বলেন, দাদা এবং বউদি এদিন কমলাদেবীকে নিয়ে কলকাতায় চেকআপ করাতে যাচ্ছিলেন। কলকাতা যাওয়ার পথে তমলুকে ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই দাদার মৃত্যু হয়। বউদির চোখে মুখে এখনও ভয় ও আতঙ্কের ছবি। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এর তদন্ত হওয়া উচিত। তমলুক থানার আইসি সুভষচন্দ্র ঘোষ বলেন, প্রাইভেট গাড়ির চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গ্যাস ট্যাঙ্কারের পিছনে সজোরে ধাক্কা মারাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন একজন। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।



