নিজস্ব প্রতিনিধিল তমলুক: রাতে তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই নিগৃহীত হলেন এজেন্সি নিযুক্ত মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগের তির হাসপাতালেরই এক কর্মীর দিকে। ব্লাড ব্যাঙ্কে নিযুক্ত ওই অস্থায়ী কর্মীকে আপাতত কাজে যোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে। সেইমতো ওই কর্মী হাসপাতালে আসছেন না। গোটা ঘটনায় হাসপাতালের অন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনায় অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে। সেই তদন্তের উপর ওই কর্মীর ভাগ্য নির্ধারণ করছে। এরমধ্যেই অভিযুক্তকে কাজে নিযুক্ত করার জন্য একটি মহল থেকে জোরালো সুপারিশ করা হচ্ছে বলেও খবর।
Advertisement
হাসপাতালের ডেপুটি সুপার তপন মাইতি বলেন, হাসপাতালের ওই কর্মী মহিলা নিরাপত্তারক্ষীর আই কার্ড ধরে টানাটানি করেছেন বলে অভিযোগ। এনিয়ে হইচই হয়। ওই ঘটনায় আপাতত ওই কর্মীকে ডিউটিতে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। মেডিক্যাল সুপার কাম ভাইস প্রিন্সিপাল গোটা বিষয়টি দেখছেন।
জানা গিয়েছে, ৩নভেম্বর রাত ১১টা নাগাদ তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের ওই কর্মী হাসপাতাল মোড়ে কালীপুজো উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলেন। তিনি বাইকটি পার্কিংয়ের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে আনেন। সেই সময় সেখানে ডিউটি করছিলেন এজেন্সি নিযুক্ত এক মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগ ওই রাতে ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে সেই মহিলা নিরাপত্তারক্ষীকে নিগ্রহ করা হয়। ওই মহিলা কর্মীর চিৎকারে কয়েকজন ছুটে আসেন। তারপর হাসপাতাল ক্যাম্প থেকে পুলিস কর্মীরাও আসেন। ঘটনার খবর পেয়ে তমলুক থানার পুলিসও পৌঁছয়।
ব্লাড ব্যাঙ্কের ওই কর্মী দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে কর্মরত। ৩নভেম্বর রাতের ওই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ডিউটিতে না আসার নির্দেশ দেয়। সিকিউরিটি এজেন্সির তরফেও বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়। ওই ঘটনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে। রাতে হাসপাতালের মধ্যেই কর্মীর বিরুদ্ধে এহেন ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। যদিও ওই হাসপাতাল কর্মী যাতে দ্রুত ডিউটি ফিরতে পারেন সেজন্য নানাভাবে সুপারিশ চলছে।
আর জি করের ঘটনায় দোষীর শাস্তির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত। আর জি করের ঘটনার পরই তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও সুরক্ষা কড়াকড়ি করতে পরিকাঠামোগত অনেক কাজ হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষায় ৩০টি রেস্টরুম, ২১টি টয়লেট, ১৭৪টি সিসি ক্যামেরা এবং ৩৫টি লাইট লাগানো হয়েছে। গত ২৯অক্টোবর স্বাস্থ্যভবন থেকে দুই সদস্যের টিম পরিকাঠামোগত ওইসব কাজ খতিয়ে দেখেছেন। এতকিছুর পরও তমলুকে হাসপাতালের মধ্যে সেখানকার এক কর্মীর হাতে মহিলা নিরাপত্তারক্ষীর নিগৃহীত হওয়ার ঘটনায় অনেকেই হতবাক।
জানা গিয়েছে, ৩নভেম্বর রাত ১১টা নাগাদ তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের ওই কর্মী হাসপাতাল মোড়ে কালীপুজো উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলেন। তিনি বাইকটি পার্কিংয়ের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে আনেন। সেই সময় সেখানে ডিউটি করছিলেন এজেন্সি নিযুক্ত এক মহিলা নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগ ওই রাতে ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে সেই মহিলা নিরাপত্তারক্ষীকে নিগ্রহ করা হয়। ওই মহিলা কর্মীর চিৎকারে কয়েকজন ছুটে আসেন। তারপর হাসপাতাল ক্যাম্প থেকে পুলিস কর্মীরাও আসেন। ঘটনার খবর পেয়ে তমলুক থানার পুলিসও পৌঁছয়।
ব্লাড ব্যাঙ্কের ওই কর্মী দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে কর্মরত। ৩নভেম্বর রাতের ওই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ডিউটিতে না আসার নির্দেশ দেয়। সিকিউরিটি এজেন্সির তরফেও বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়। ওই ঘটনায় একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গড়া হয়েছে। রাতে হাসপাতালের মধ্যেই কর্মীর বিরুদ্ধে এহেন ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। যদিও ওই হাসপাতাল কর্মী যাতে দ্রুত ডিউটি ফিরতে পারেন সেজন্য নানাভাবে সুপারিশ চলছে।
আর জি করের ঘটনায় দোষীর শাস্তির দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত। আর জি করের ঘটনার পরই তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও সুরক্ষা কড়াকড়ি করতে পরিকাঠামোগত অনেক কাজ হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষায় ৩০টি রেস্টরুম, ২১টি টয়লেট, ১৭৪টি সিসি ক্যামেরা এবং ৩৫টি লাইট লাগানো হয়েছে। গত ২৯অক্টোবর স্বাস্থ্যভবন থেকে দুই সদস্যের টিম পরিকাঠামোগত ওইসব কাজ খতিয়ে দেখেছেন। এতকিছুর পরও তমলুকে হাসপাতালের মধ্যে সেখানকার এক কর্মীর হাতে মহিলা নিরাপত্তারক্ষীর নিগৃহীত হওয়ার ঘটনায় অনেকেই হতবাক।



