নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: জাতীয় সড়কের ধারে হোটেলে বেআইনিভাবে মদ বিক্রির অভিযোগে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম পিন্টু ঘোষ। তাঁর স্ত্রী মৌমিতা ঘোষ তমলুক ব্লকের উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির সদস্যা। সোমবার রাতে তমলুক থানার নিমতৌড়িতে ৪১নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নিজের হোটেল থেকে পুলিস পিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতকে ছাড়ানোর জন্য রাতেই বিজেপির মণ্ডল সভাপতি স্বপন মান্না সহ একঝাঁক নেতা থানায় হাজির হন। কিন্তু পুলিস ধৃতকে থানা থেকে ছাড়তে অস্বীকার করায় পদ্মপার্টির নেতারা নিরাশ হন।
Advertisement
তমলুকের উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েতের গণপতিনগর মৌজায় জেলাশাসক, পুলিস সুপার ও জেলা পরিষদ অফিস। প্রশাসনিক ভবন থেকে ঢিল ছোড়া দূরে বিজেপি নেতা পিন্টু ঘোষের হোটেল। জাতীয় সড়কের ধারে ওই হোটেলে কোনও লাইসেন্স ছাড়াই মদ বিক্রি হতো বলে অভিযোগ। এনিয়ে স্থানীয় লোকজন তমলুক থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে রাতে তমলুক থানার পুলিস হোটেলে পৌঁছে যায়। সেখান থেকে অনেক মদের বোতল পাওয়া যায়। সেসব বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিস ওই বিজেপি নেতাকে তুলে থানায় নিয়ে যায়। ওই খবর জানাজানি হতেই তমলুক গ্রামীণ ও শহরের একঝাঁক নেতা রাতে তমলুক থানায় হাজির হন। তাঁদের আর্জি, পিন্টুকে ছেড়ে দিতে হবে। ভবিষ্যতে এই অন্যায় হবে না। পুলিস অবশ্য থানা থেকে ধৃতকে ছাড়তে অস্বীকার করে।
নিমতৌড়ি উত্তরপল্লি বুথ থেকে পিন্টুর স্ত্রী মৌমিতা ঘোষ বিজেপির টিকিটে ২০২৩সালে নির্বাচিত হন। উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েতও দখল করেছে বিজেপি। বিজেপির হাতে পঞ্চায়েত যেতেই জেলা প্রশাসনিক ভবনের নাকের ডগায় পিন্টু নিজের হোটেলে চুটিয়ে মদ বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ। ওই এলাকাটি তাঁর স্ত্রীর নির্বাচিত বুথ। কোনও লাইসেন্স ছাড়াই মদ বিক্রি হতো। ওই এলাকার আরও ১০-১২টি হোটেল রয়েছে। কিন্তু বিজেপি নেতার হোটেলে মদ বিক্রি হওয়ায় সন্ধ্যার পর ভালো ভিড় হতো বলে এলাকাবাসীর দাবি। বেআইনিভাবে মদ বিক্রির খবর থানায় জানানোর পরই পুলিস দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের তমলুক ব্লকের সভাপতি অর্ণব চক্রবর্তী বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে বিজেপি নেতা রমরমিয়ে বেআইনি কাজ করছিলেন। নিজের হোটেলে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করে মুনাফা লুটতে ব্যস্ত ছিলেন। পুলিস অভিযানে অবশেষে ওই নেতা শ্রীঘরে। তাঁকে ছাড়ানোর জন্য রাতে দলবেঁধে বিজেপি নেতারা থানায় গিয়ে নিরাশ হন।
বিজেপির তমলুক মণ্ডল-৪সভাপতি স্বপন মান্না বলেন, আমি এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। ধৃতের স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা মৌমিতা ঘোষ বলেন, জাতীয় সড়কের ধারে নিমতৌড়িতে আমাদের একটি খাওয়ার হোটেল আছে। সেখানে মদ বিক্রি হতো বলে পুলিস অভিযান চালিয়ে আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। এটা শাসক দলের চক্রান্ত হতে পারে। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, কোনওরকম লাইসেন্স ছাড়াই মদ বিক্রির অভিযোগে পিন্টু ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিমতৌড়ি উত্তরপল্লি বুথ থেকে পিন্টুর স্ত্রী মৌমিতা ঘোষ বিজেপির টিকিটে ২০২৩সালে নির্বাচিত হন। উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েতও দখল করেছে বিজেপি। বিজেপির হাতে পঞ্চায়েত যেতেই জেলা প্রশাসনিক ভবনের নাকের ডগায় পিন্টু নিজের হোটেলে চুটিয়ে মদ বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ। ওই এলাকাটি তাঁর স্ত্রীর নির্বাচিত বুথ। কোনও লাইসেন্স ছাড়াই মদ বিক্রি হতো। ওই এলাকার আরও ১০-১২টি হোটেল রয়েছে। কিন্তু বিজেপি নেতার হোটেলে মদ বিক্রি হওয়ায় সন্ধ্যার পর ভালো ভিড় হতো বলে এলাকাবাসীর দাবি। বেআইনিভাবে মদ বিক্রির খবর থানায় জানানোর পরই পুলিস দ্রুত পদক্ষেপ নেয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের তমলুক ব্লকের সভাপতি অর্ণব চক্রবর্তী বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে বিজেপি নেতা রমরমিয়ে বেআইনি কাজ করছিলেন। নিজের হোটেলে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করে মুনাফা লুটতে ব্যস্ত ছিলেন। পুলিস অভিযানে অবশেষে ওই নেতা শ্রীঘরে। তাঁকে ছাড়ানোর জন্য রাতে দলবেঁধে বিজেপি নেতারা থানায় গিয়ে নিরাশ হন।
বিজেপির তমলুক মণ্ডল-৪সভাপতি স্বপন মান্না বলেন, আমি এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। ধৃতের স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্যা মৌমিতা ঘোষ বলেন, জাতীয় সড়কের ধারে নিমতৌড়িতে আমাদের একটি খাওয়ার হোটেল আছে। সেখানে মদ বিক্রি হতো বলে পুলিস অভিযান চালিয়ে আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। এটা শাসক দলের চক্রান্ত হতে পারে। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, কোনওরকম লাইসেন্স ছাড়াই মদ বিক্রির অভিযোগে পিন্টু ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।



