নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মাত্র ছ’হাজার টাকা দিলেই বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে নকল প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট। তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের সই এবং সিল নকল করে তৈরি হচ্ছে এই সার্টিফিকেট। পাঁশকুড়া থেকে ময়না, তমলুক থেকে কোলাঘাট— সর্বত্র এই চক্র সক্রিয়। সম্প্রতি ট্রেনের বিশেষ ছাড় এবং সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন নম্বর পোর্টালে আপলোড করতে গিয়ে বিষয়টি সামনে এসেছে। তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ শর্মিলা মল্লিক তমলুক ১৮ডিসেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে, অভিযোগ জানানোর পরও এধরনের ভুয়ো সার্টিফিকেট নজরে আসছে। তাই আগামী সপ্তাহে আরও একবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অধ্যক্ষ।
Advertisement
২০২৩সাল থেকে প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট ইউনিক ডিস্যাবিলিটি আইডি(ইউডিআইডি) পোর্টালে এন্ট্রি করা বাধ্যতামূলক। গোটা প্রক্রিয়াকে অনলাইন সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে। পোর্টালে এন্ট্রি না করলে ওই কোটার সুবিধা পাওয়া যাবে না। ওই কাজের জন্য গত কয়েকদিন ধরে প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট নিয়ে অনেকেই তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অফিসে আসছেন। কার্ড ভেরিফাই করার সময়ে তাতে যেসব চিকিৎসকের সই রয়েছে, তাঁরা চমকে যাচ্ছেন। অ্যাডিশনাল মেডিক্যাল অফিসার ভাস্কর বৈষ্ণব সহ একাধিক মেডিক্যাল অফিসারের সই জাল করে তৈরি ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট ছড়িয়ে পড়েছে।
ময়না থানার দক্ষিণ চংরাচক গ্রামের টুম্পা বেরা, পাঁশকুড়া থানার মুরালি গ্রামের হায়দার আলি দিন সহ তিনজনের জাল সার্টিফিকেট সামনে এসেছে। তাঁদের মধ্যে একজন রেল ভাড়ার কোটার সুবিধার জন্য ফর্ম তুলে হাসপাতালে এসেছিলেন। ওই ফর্মে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিল ও সই লাগে। ১৮ডিসেম্বর হাসপাতালের সার্টিফিকেট ভেরিফাই করার সময় ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট নজরে আসে। ১৯তারিখও একটি ভুয়ো সার্টিফিকেট ধরা পড়েছে। প্রত্যেক সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর হাসপাতালের রেকর্ডে থাকে। ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ওই রেকর্ডের সঙ্গে মিলছে না।তমলুক মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওইসব ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট হেফাজতে নিয়ে থানায় জমা করেছে। তার কপি হাসপাতালেও রাখা হয়েছে। ভুয়ো সার্টিফিকেট প্রাপকরা বলেন, তাঁরা ছ’হাজার টাকা দিয়ে ওই সার্টিফিকেট কিনেছেন। পাঁশকুড়া থানা এলাকার একজন ওই সার্টিফিকেট দিয়েছে। তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ বলেন, হাসপাতালের সিল এবং চিকিৎসকদের সই জাল করে ওইসব সার্টিফিকেট বানানো হয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই এফআইআর করেছি। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ওই চক্রের খোঁজ চলছে।
ময়না থানার দক্ষিণ চংরাচক গ্রামের টুম্পা বেরা, পাঁশকুড়া থানার মুরালি গ্রামের হায়দার আলি দিন সহ তিনজনের জাল সার্টিফিকেট সামনে এসেছে। তাঁদের মধ্যে একজন রেল ভাড়ার কোটার সুবিধার জন্য ফর্ম তুলে হাসপাতালে এসেছিলেন। ওই ফর্মে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সিল ও সই লাগে। ১৮ডিসেম্বর হাসপাতালের সার্টিফিকেট ভেরিফাই করার সময় ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট নজরে আসে। ১৯তারিখও একটি ভুয়ো সার্টিফিকেট ধরা পড়েছে। প্রত্যেক সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর হাসপাতালের রেকর্ডে থাকে। ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেটের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ওই রেকর্ডের সঙ্গে মিলছে না।তমলুক মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ ওইসব ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট হেফাজতে নিয়ে থানায় জমা করেছে। তার কপি হাসপাতালেও রাখা হয়েছে। ভুয়ো সার্টিফিকেট প্রাপকরা বলেন, তাঁরা ছ’হাজার টাকা দিয়ে ওই সার্টিফিকেট কিনেছেন। পাঁশকুড়া থানা এলাকার একজন ওই সার্টিফিকেট দিয়েছে। তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ বলেন, হাসপাতালের সিল এবং চিকিৎসকদের সই জাল করে ওইসব সার্টিফিকেট বানানো হয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগজনক। তাই এফআইআর করেছি। তমলুক থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। ওই চক্রের খোঁজ চলছে।



