Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রবিবার ডিউটির দাবিতে কাজ বন্ধ ইসিএলের তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের

রবিবার ডিউটির দাবিতে কাজ বন্ধ ইসিএলের তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: বিশেষ ডিউটির দাবিতে রবিবার জামুড়িয়া থানার ইসিএলের কেন্দা এরিয়ার বেশ কয়েকটি কয়লা খনির কাজ বন্ধ করে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কয়লা খাদান শ্রমিক কংগ্রেস (কেকেএসসি) সংগঠন। কাজ বন্ধ রাখায় বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতে ইসিএলের জল, বিদ্যুৎ সহ একাধিক জরুরি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। যদিও কেকেএসসি’র দাবি,এলাকাবাসীর যাতে সমস্যা না হয় তার জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা জরুরি পরিষেবা চালু রেখেছিলেন। সমস্যার সমাধানে ইসিএল কর্তৃপক্ষ বৈঠকে আহ্বান জানিয়েছে কেকেএসসি’কে। 

Advertisement

কেকেএসসি ও ইসিএল সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসিএলের কেন্দা এরিয়ায় সিদুলি, ছোড়া, লোয়ার কেন্দা ও বহুলা সহ একাধিক কোলিয়ারি রয়েছে। ইসিএলের নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী কর্মীরা ছুটির দিন রবিবার কাজ করলে ওই দিনের জন্য দ্বিগুণ বেতন পান। এই রীতি দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। সেই কারণে কর্মীরাও রবিবার কাজ করতে বেশি আগ্রহী। রবিবার কোলিয়ারিগুলিতে কয়লা উত্তোলন বন্ধ থাকে। এলাকার জল, বিদ্যুৎ, হাসপাতাল সহ নিরাপত্তার মতো জরুরি পরিষেবার জন্য রবিবার ডিউটি দেওয়া হয় কর্মীদের। কেকেএসসি’র অভিযোগ, ইসিএল কর্তৃপক্ষ হঠাৎই ওই ডিউটির সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। কেকেএসসি’র দাবি, একশো শতাংশ ডিউটি রবিবার দিতে হবে। সেই দাবিতে এদিন কেকেএসসি জরুরি পরিষেবার কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে এলাকাবাসী সহ ইসিএল কর্তৃপক্ষ চরম অস্বস্তিতে পড়েছে। ইসিএলের দাবি, ওই ডিউটির জন্য অর্থভাণ্ডার কম থাকায় ডিউটির সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সিদুলি কোলিয়ারির এজেন্ট পঙ্কজকুমার বর্মা বলেন, রবিবার ডিউটির জন্য ফান্ড কম রয়েছে। তাই ৫০ শতাংশ ডিউটি দেওয়া হবে কর্মীদের। রবিবার কয়লা উত্তোলন হয় না। জরুরি পরিষেবার জন্য ও ইসিএলের সম্পত্তি রক্ষার জন্য নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। কেকেএসসি একশো শতাংশ ডিউটির দাবিতে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। কিছুজন কাজ করেছেন। 
কিন্তু হাজরি করেননি। আমরা সকালে তিন ঘণ্টা জল পরিষেবা দিয়েছি। তাই এদিন সমস্যা খুব একটা হবে না। কিন্তু টানা কাজ বন্ধ থাকলে ভীষণ সমস্যা হবে। আমরা ওঁদের বৈঠকে ডেকেছি। জামুড়িয়ার বিধায়ক তথা কেকেএসসি’র সাধারণ সম্পাদক হরেরাম সিং বলেন, কোনও আলোচনা ছাড়াই ইসিএল ডিউটি কমিয়ে দিয়েছে। স্বেচ্ছাসেবীরা জল ও বিদ্যুতের মতো জরুরি পরিষেবা চালু রাখছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ