নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: প্রতিষ্ঠার ৬৮ বছর পর প্রথমবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল হুগলির বলাগড়ের সিজা কামালপুর কৃষি সমবায় সমিতিতে। প্রথম নির্বাচনে বিপুল জয় লাভ করল তৃণমূল। ৪৫ আসনের মধ্যে ৩৩টিতে জিতেছে তারা। সিপিএম এবং বিজেপি ছ’টি করে আসন পেয়েছে। এই সমবায়ে দীর্ঘদিন ধরে সদস্যরা আলোচনার করে কমিটি গঠন করতেন। এবার নির্বাচন হল। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাজ্যে যখন যে শাসক দল হিসেবে থেকেছে তাদের প্রতিনিধিরাই সমবায়ে কর্তৃত্ব করেছেন। বলাগড়ের তৃণমূল নেতা ও হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ অসীম মাঝি বলেন, ‘মানুষ আমাদের সঙ্গে আছে। নির্বাচনের মতো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তা প্রমাণিত।’ এর পাশাপাশি এদিন পাণ্ডুয়ায় সমবায় নির্বাচনেও জয়লাভ করেছে তৃণমূল। রবিবার পাণ্ডুয়ার জামনা কৃষি সমবায় সমিতিতে ভোট হয়। সেখানে ৬৩ আসনের মধ্যে তৃণমূল ৩৯টি জেতে। কংগ্রেস-সিপিএম জোট পেয়েছে ২৪টি। এদিন গণনার প্রথম পর্বেই একের এক আসন জিততে শুরু করে তৃণমূল। বামেরা পরের দিকে টক্কর দিলেও নিজেদের গড়ে জিততে পারেনি। পাণ্ডুয়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা রাজ্যের উন্নয়নের নিরিখেই তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা এলাকার কৃষির উন্নয়নে সমবায়ের মাধ্যমে কাজ করব।’ হুগলি জেলায় সাম্প্রতিক সময় সার্বিকভাবে সমবায় নির্বাচনে নজরকাড়া সাফল্য পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল। কোন্নগর থেকে বলাগড়, পাণ্ডুয়া থেকে সিঙ্গুর, সর্বত্র নির্বাচনে উড়েছে সবুজ আবির। তৃণমূল কংগ্রেসের হুগলি জেলার চেয়ারম্যান অসীমা পাত্র বলেন, ‘বাম শাসনে কৃষকরা সরকারের উপর আস্থা হারিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কৃষক কল্যাণ নীতির কারণে তাঁরা সরকারি পদ্ধতিতে ভরসা করছেন। তার জেরেই আসছে সাফল্য।’ - নিজস্ব চিত্র



